ইজতেমায় জুমার নামাজে লাখো মুসল্লি

আপডেট: 05:23:18 29/12/2017



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : শুক্রবার জুমার নামাজে যশোরের বিশ্ব ইজতেমাস্থলে উপচে পড়ে মুসল্লি। এদিন ইজতেমাস্থল ছাড়িয়ে গোটা উপশহরের বৃহদংশ জুড়ে ছিল মুসল্লির ভিড়।
একদিকে সারথী টেক্সটাইল মিল, যশোর-মাগুরা মহাসড়কের কাছাকাছি, অন্যদিকে বিরামপুর, বাবলাতলা পর্যন্ত জায়গাজুড়ে নামাজে দাঁড়ান মুসল্লিরা। কার্যত কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে হয় এই নামাজ।
যশোরে তিনদিনের আঞ্চলিক ইজতেমার দ্বিতীয় দিন আজ ছিল শুক্রবার। এদিন জুমার নামাজ আদায় করতে ইজতেমায় আসেন যশোর ছাড়াও আশপাশের বহু এলাকার মুসলিমরা। বৃহৎ জমায়েতে নামাজ আদায়ের ফজিলত থাকায় নামাজিদের উপস্থিতি লাখ ছুঁয়েছে বলে মনে করছেন জুমায় আসা মুসলিমরা।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে এদিন জুমার নামাজে অংশ নেন যশোর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও। ছুটির দিন হওয়ায় শহরের ব্যবসায়ীরাও দলে দলে যোগ দেন নামাজে। জুমার নামাজের সময় শহর একেবারেই ফাঁকা হয়ে যায়।
জুমার নামাজের আগে ইজতেমাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই নামাজ আদায়ের জন্য মূল মাঠে পৌঁছাতে পারেননি। তারা রাস্তার ওপরে, বাসার ছাদে শরিক হয়েছেন জামাতে। খবরের কাগজ, পলিথিন, চাটাই বিছিয়ে যে যেভাবে পেরেছেন নামাজে বসেছেন। এতো মানুষের সমাগম ঘটলেও সুশৃঙ্খলভাবেই নামাজ শেষ হয়।
নামাজ শেষে আলজেরিয়া থেকে আসা তাবলিগের মুরব্বি মো. আলী কাদের বয়ান শুরু করেন। তার বয়ান বাংলায় অনুবাদ করে শোনান তাবলিগের সাথী মুফতি মাওলানা মো. উমায়েদ হোসেন।
বয়ানে তিনি গোটা মুসলিম জাতিকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে দ্বীন প্রচারের আহ্বান জানান।
শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার আঞ্চলিক এ পর্ব। মোনাজাতের আগ পর্যন্ত তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বিরা পর্যায়ক্রমে আখলাক, ইমান ও আমলের ওপর বয়ান করবেন।

আরও পড়ুন