কলারোয়ায় এসিল্যান্ড নেই ২২ মাস, জনদুর্ভোগ

আপডেট: 08:38:43 19/09/2018



img

কে এম আনিছুর রহমান, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) : প্রায় ২২ মাস ধরে কলারোয়ায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেই। ফলে জমির মালিকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তারা জমির খাজনা, নামজারি, নামপত্তন, বন্দোবস্ত ইজারা, খাসজমি ডিসিআর পেতে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা জেসমিন বদলি হয়ে যান। এরপর থেকে এ দপ্তরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তমকুমার রায় ও মনিরা পাবভীন। বদলিজনিত কারণে ইউএনওর পদটিও গত এক মাস ধরে শূন্য।
উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো অহিদুর রহমান বলেন, ‘জমির দাখিলা কাটা, খাজনা আদায়, খাস জমির ডিসিআর ও মিউটেশন করতে হয় মাসে প্রায় তিন শতাধিক। দীর্ঘদিন এসিল্যান্ড স্যার না থাকায় আমরা পড়েছি বিপাকে। দূরদুরান্ত থেকে আসা জমির মালিকদের দাখিলা কেটে সময়মতো সমাধান দিতে পারছি না। দাপ্তরিক কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে।’
সেবা নিতে আসা উপজেলার কামারালী গ্রামের আব্দুল খালেক সানা ও পৌরসদরের বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, এসিল্যান্ড না থাকায় ভূমি অফিসের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অফিসের কানুনগো অহিদুর রহমানসহ কোনো কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া কথাও শোনেন না। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সময়মতো অফিস করেন না। মাঝে মাঝে কর্মকর্তাদের পাওয়া গেলেও একেকটি নামজারি কেস সম্পন্ন করতে পাঁচ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন বলেন, গতকাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে একজন যোগদান করেছেন। আজ তিনি চার্জ বুঝে নেবেন। সহকারী কমিশনারের (এসিল্যান্ড) বিষয়টি ভূমি মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। তবে সারা দেশে এ্যাসিলান্ড সংকট। হয়তো খুব তাড়াতাড়ি কলারোয়ার এসিলান্ড পদটির সমস্যার সমাধান হবে।

আরও পড়ুন