কালিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা বধূকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট: 03:21:22 01/05/2019



img

নড়াইল প্রতিনিধি : জেলার কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের হাড়িডাঙ্গা গ্রামে যৌতুকের দাবিতে সিমলা বেগম নামে ( ১৯ ) এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
গৃহবধূর খালু গোলাম কিবরিয়া জানান, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের হাড়িডাঙ্গা গ্রামের মৃত বাবুল লস্করের ছেলে রাজমিস্ত্রি তাওহিদের সঙ্গে ৮-৯ মাস আগে বাগেরহাটের মোংলার বুড়িডাঙ্গা গ্রামের আজিজুুল হাওলাদারের মেয়ে সিমলার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সিমলার শ্বশুরবাড়ি থেকে যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এক সপ্তাহ আগে সিমলার স্বামী ব্যবসার জন্য এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় সিমলাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
সিমলার বাবা আজিজুল হাওলাদার বলেন, ‘‘মঙ্গলবার রাতে অপরিচিত এক ব্যক্তি আমাদের ফোন করে বলেন, ‘আপনাদের মেয়ে সিমলা কালিয়া হাসপাতালে মারা গেছে।’ এই খরর পেয়ে আমরা ছুটে আসি। এসে দেখি লাশ কালিয়া থানায় রয়েছে।’’
হতভাগ্য এই বাবা বলেন, ‘তাওহিদ আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। যৌতুক না দেওয়ায় ওরা আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমি সিমলার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
তাওহিদের মা সুলেখা বেগম বলেন, ‘বৌমা গলায় দড়ি দিয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।’
পরপরই এই নারী আবার বলেন, ‘সে অসুস্থ ছিল। আমরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।’
কালিয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে কালিয়া হাসপাতাল থেকে খবর আসে হাড়িডাঙ্গা গ্রাম থেকে একটি রোগী এসেছে। রোগীটি হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যুবরণ করেছে। এ খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহটি থানায় নিয়ে আসে। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আজ দুপুুরে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে মরদেহ পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন