কুষ্টিয়ায় খুনির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষকের যাবজ্জীবন

আপডেট: 07:29:51 17/04/2019



img

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া শহরের চৌরহাসে ফল ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম হত্যা মামলায় নূর আলম (৩০) নামে এক আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরুপকুমার গোস্বামী এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত নূর আলম মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার শংকরদি গ্রামের মৃত আবুল হাছেনের ছেলে।
নিহত ফল ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর আলম সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই। শহরের চৌড়হাস মোড় এলাকায় ‘মামা-ভাগ্নে স্টোর’ নামে একটি ফলের দোকানে ব্যবসা করতেন তারা।
রায় ঘোষণাকালে আসামি নূর আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২০ জুন কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস মোড় এলাকায় নিহত ব্যবসায়ীর ফলের দোকানের পেছনে থাকা একটি ড্রামের ভেতর থেকে তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বন্যা আক্তার বাদী হয়ে নূর আলমকে আসামি করে কুষ্টিয়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নূর আলমকে গ্রেফতার করে কুষ্টিয়া পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে কুষ্টিয়ার কালিশংকরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় জামাল উদ্দিন (৪২) নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষনার সময় আসামি পলাতক ছিল। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি জামাল উদ্দিন মাগুরা জেলার পারনান্দুমালী গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৯ অক্টোবর কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকার ভাড়াটিয়া জামাল উদ্দিন প্রতিবেশী শিশুকন্যাকে মা-বাবা অনুপস্থিতিতে চকলেট দেওয়ার নাম করে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে কুষ্টিয়া সদর থানায় জামাল উদ্দিনকে আসামি করে একটি শিশু ধর্ষণ মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর আসামি জামালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ এনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ সাক্ষ্য-শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামিনে থেকে পলাতক আসামি জামাল উদ্দিনের অনুপস্থিতিতেই আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ প্রদান করেন।
কুষ্টিয়া জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট অনুপকুমার নন্দী এই সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন