কোটচাঁদপুরে অপহৃত যুবক উদ্ধার, গ্রেফতার ১

আপডেট: 07:56:20 14/09/2018



img

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : কোটচাঁদপুর থেকে অপহৃত যুবক সুজনকে বৃহস্পতিবার দিনগত গভির রাতে পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ সময় অপহরণকারী একজনকে গ্রেফতার ও অপহরণে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার হয়।
গত মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) কোটচাঁদপুর মেইন বাসস্ট্যান্ড থেকে সুজন (২৫) অপহৃত হন।
কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লবকুমার সাহা বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যারাতে দুধসরা এলাকার বিশু মিয়ার ছেলে সুজন কোটচাঁদপুর মেইন বাসস্ট্যান্ড থেকে অপহৃত হন। বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যরা জানতেন না। অপহরণকারীরা বৃহস্পতিবার সকালে সুজনের পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। দরকষাকষির এক পর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকা দিলে সুজনকে ছেড়ে দিতে রাজি হয় অপহরণকারীরা। বিষয়টি কোটচাঁদপুর থানা পুলিশকে জানালে পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী সুজনের মামা হাবিবুল্লাহ টাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দেড়টার সময় কোটচাঁদপুর সরকারি হ্যাচারি কমপ্লেক্সের মূল গেটের সামনে হাজির হন। তার আগে ঘটনাস্থালের আশপাশে ওসির নেতৃত্বে এসআই সৈয়দ আলী, এএসআই পিন্টুসহ একদল পুলিশ সদস্য ওত পেতে ছিল। কিছুক্ষণ পর ৫-৬ জনের অপহরণকারী দল মাইক্রোবাসযোগে হ্যাচারি কমপ্লেক্সের গেটে এসে নামলে পুলিশ এক অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে। বাকিরা মাইক্রোবাস ফেলে পালিয়ে যায়। মাইক্রোটির নম্বর- চট্ট মেট্রো-চ- ১১-৩৫৬৭। এসময় মাইক্রো থেকে সুজনকে উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতার অপহরণকারী কোটচাঁদপুর কলেজস্ট্যান্ডে মৃত মশিয়ার রহমানের ছেলে শাহরিয়ার রহমান মামুন।
ওসি আরো বলেন, মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার ব্যাপারে মামলা হবে।
এদিকে অপহৃত সুজনের মামা মহেশপুর উপজেলার আলামপুর গ্রামের হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘সুজন লেবাননে ছিল। ছয় মাস আগে সে ছুটিতে বাড়িতে আসে। সুজন বাড়িতে এসে লেবাননে পাঠানোর নাম করে এলাকার বেশ কিছু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। আমরা তার সন্ধান জানতাম না। হঠাৎ করে গোপনে কোটচাঁদপুরে এলে সে অপহৃত হয়। পরে অপহরণকারীরা মুক্তিপণ দাবি করে ফোন দিলে আমি পুলিশের দ্বারস্থ হই।’

আরও পড়ুন