খুলনায় মাছ রফতানিকারক ছাত্তার জেলে

আপডেট: 01:18:21 08/01/2018



img

খুলনা অফিস : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় খুলনার মাছ রফতানিকারক এমএ ছাত্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার দুপুরে বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে উচ্চ আদালত থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন তিনি।
এমএ ছাত্তার খুলনার মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান ‘বায়োনিক সী ফুডস এক্সপোর্টার্স লিমিটেড’ এবং নগরীর ‘গরীব নেওয়াজ ক্লিনিক’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার বিরুদ্ধে চার কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৯ আগস্ট রূপসা থানায় মামলা হয়। দুদক খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় রূপালী ব্যাংক খুলনার শামস বিল্ডিং শাখার তৎকালীন (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ম্যানেজার মো. আব্দুর রহমানকেও আসামি করা হয়।
দুদক খুলনার পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মুজিবর রহমান জানান, এমএ ছাত্তার মাছ কেনার জন্য রূপালী ব্যাংক খুলনার শামস বিল্ডিং শাখার তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ম্যানেজার মো. আব্দুর রহমানের সঙ্গে যোগসাজসে মোট ছয় কোটি ৭৯ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকা ঋণ নেন। কিন্তু পরে তিনি ওই টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন। এ টাকার মধ্যে ৭০ শতাংশ অর্থ্যাৎ চার কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা সরকারি হওয়ায় দুদক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলায় ছাত্তার উচ্চ আদালত থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তিনি রোববার খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।  অপর আসামি ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান আদালতে হাজির হননি।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে দুদক খুলনার পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মুজিবর রহমান এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারীসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী ছিলেন।

আরও পড়ুন