খেলোয়াড় তৈরিতে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন

আপডেট: 08:03:04 27/04/2018



img
img

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে তৃণমূল পর্যায় হতে মেধাবী ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবল খেলোয়াড় বাছাই শেষে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের অয়োজনে নড়াইল সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় মাঠে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন, নড়াইল পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা মাশরাফির বাবা গোলাম মুর্তজা স্বপন, ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম অনিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী বশিরুল হক, মুক্তিযোদ্ধা এস এ মতিন প্রমুখ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান শামীমুল ইসলাম টুলু, কোষাধ্যক্ষ নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর্জা নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক এম এম কামরুল আলম, নড়াইল জেলার তৃণমূল পর্যায় থেকে আসা প্রায় ৩০০ ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবল খেলোয়াড়।
মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, এখন থেকে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মেধাবী ফুটবল, ক্রিকেট এবং ভলিবল খেলোয়াড় বাছাই করা হবে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রত্যেক বিভাগ থেকে ২৫জন করে খেলোয়াড়কে সারা বছর ফ্রি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ আগামীতে দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবল ও ক্রিকেট খেলায় অংশ নেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এসব খেলোয়াড় উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেলে জাতীয় পর্যায়ের খেলায় অংশ নিতে পারবে বলে আশা করি। এছাড়া এ প্রশিক্ষণের ফলে এসব খেলোয়াড়দের সরকারি-বেসরকারি চাকরিতেও সুযোগ তৈরি হবে।’
গত ১৯ এপ্রিল ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে বেসরকারি সংস্থা আইপিডিসির সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয় নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের। এর মাধ্যমে নড়াইলে অত্যাধুনিক জিম নির্মাণ করা হবে এবং আগামী তিন বছর গোটা নড়াইল জেলার তৃণমূল পর্যায় থেকে মেধাবী ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবল খেলোয়াড় অন্বেষণ ও বাছাই করে সারা বছর অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দ্বারা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এর সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে আইপিডিসি।
২০১৭ সালের ৪ সেপ্টেম্বর নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করে। ইতিমধ্যে ফাউন্ডেশন সাধারণ ও দুস্থ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইসিটি, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, পরিবেশ, পর্যটনসহ দশটি বিষয় উন্নয়নের লক্ষ নিয়ে কাজ শুরু করেছে।