চিত্রায় আরো পাঁচ বাঁধ অপসারণ, মামলা

আপডেট: 03:32:09 06/07/2018



img
img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : কালীগঞ্জ উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত চিত্রা নদীতে দেওয়া অবৈধ মাছ ধরা পাঁচটি বাঁধ অপসারণ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তমকুমার রায়ের নেতৃত্বে শুক্রবার দুপুরে চিত্রা নদীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাঁধগুলো অপসারণ করা হয়। এসময় বাঁধ দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদে বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়। অভিযানকালে মাছ ধরার নানা সরঞ্জাম (ঘুনি, আটল প্রভৃতি) উদ্ধার করা হয়। এসব সরঞ্জামে ধরাপড়া বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ নদীতে অবমুক্তও করা হয়। এর আগের দিনও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল।
আজকের অভিযানে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা স্বপনকুমার, কালীগঞ্জ থানার এসআই মো. আল মাসুদ মিয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এদিন কামরাইল, গুটিয়ানি এবং হাসপাতালের পাশে নদীতে দেওয়া বাঁধ অপসারণ করা হয়।
কালীগঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছিল চিত্রা নদীতে বাঁধ দিয়ে ডিমওয়ালা দেশি প্রজাতির মাছ নিধন করা হচ্ছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব নদী ও খাল থেকে বাঁধ অপসারণ করা হবে।
কালীগঞ্জ  উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তমকুমার রায় বলেন,  দিন দিন খাল-বিল নদী থেকে দেশি নানা প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বর্ষার সময় কিছু নদীতে ডিমওয়ালা মা মাছ দেখা যায়। এই সুযোগে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি নদীতে বাঁধ দিয়ে ডিমওয়ালা মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করেন। মা মাছ  যদি ঠিক মতো নদীতে ডিম দিতে পারে তাহলে প্রচুর মাছ পাওয়া যাবে। দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদার কথা চিন্তা করেই মাছের অভয়ারণ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।