চুয়াডাঙ্গায় বন্ধুকে মেরে নদীতে পুঁতে রেখেছিল খুনি

আপডেট: 08:41:38 04/05/2019



img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গায় প্রেম সংক্রান্ত ঘটনায় মমিন (১৬) নামে এক তরুণকে খুন করে তার বন্ধু সাফায়েত। ঘাতক সাফায়েতের স্বীকারোক্তিতে মাথাভাঙ্গা নদীতে পুঁতে রাখা লাশ শুক্রবার রাত নয়টার দিকে উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মমিন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের আকন্দবাড়ীয়া গ্রামের গাঙপাড়ার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। ঘাতক বন্ধু সাফায়েত (১৬) একই গ্রামের রমজানের ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, আকন্দবাড়ীয়া গ্রামের রমজানের ছেলে সাফায়েতের সঙ্গে ওই এলাকার রমেলা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিপড়–য়া এক ছাত্রীর দুই বছর ধরে সম্পর্ক চলে আসছিল। এ বিষয়টি সাফায়েতের বন্ধু মমিন জানতে পেরে ওই মেয়েটিকে ফুঁসলে তার অনুকূলে নিয়ে যায়। এই নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। কয়েক দফা তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটিও হয়। গত বৃহস্পতিবার (২ মে) সাফায়েত কৌশলে মমিনকে গাঙপাড়ায় ধূমপানের নাম করে ডেকে নেয়। সেখানেই সাফায়েত তাকে ধারালো ছুরি চালিয়ে গলা কেটে হত্যা করে লাশ নদীর কচুরিপানার নীচে পুঁতে রাখে। শুক্রবার সকালে লোকজন রক্তাক্ত মাটি ও স্যান্ডেল দেখে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারে যে, ওই গ্রামের মমিন নামের এক কিশোর নিখোঁজ রয়েছে। এ সময় পুলিশ নিখোঁজ মমিনের বন্ধু সাফায়েতকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে মমিনকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে। পরে তারই স্বীকারোক্তিতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে একটি হত্যা মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন