চুয়াডাঙ্গায় ৪২ হাজার হেক্টরে রোপা আউশ আবাদ

আপডেট: 12:27:33 31/07/2018



img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ হাজার ১৪১ হেক্টর জমিতে রোপা আউশ ধানের আবাদ হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার চার উপজেলায় খরিপ -১ আউশ মৌসুমে হাইব্রিড ও উফশী জাতের আউশ ধানের আবাদ হয়েছে। হাইব্রিড জাতের মধ্যে রয়েছে এসিআই-১ ও ২, ধানী গোল্ড, রাজকুমারী, চমক, নবীন, ইস্পাহানী, আগমনী, কৃষাণ, মধুমতি ও সিনজেনটা-১২০৫। উফশী জাতের মধ্যে নেরিকা, বিআর-৩, বিআর-২৬, ব্রি-ধান-২৮, ব্রি-ধান-৪৩, ব্রি-ধান-৪৮, ব্রি-ধান ৫৫, ব্রি-ধান-৫৮, খাটো বাবু, স্বর্ণা জাতের ধানের আবাদ করেছেন চাষিরা।
চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় রোপা আউশ ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ৭৮৫ হেক্টর; কিন্তু আবাদ হয়েছে ৪২ হাজার ১৪১ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে উফশী জাতের খাটো বাবু, হাইব্রিড ধানের মধ্যে এসিআই-২, ইস্পাহানি, সিনজেন্টা-১২০৫।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফলন বাড়ানোর জন্য কৃষি বিভাগ থেকে উফশী জাতের আউশ ধান আবাদে আগ্রহী পাঁচ হাজার চাষিকে বিঘা প্রতি পাঁচ কেজি করে ধানের বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, দশ কেজি ড্যাপ, দশ কেজি এমওপি, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৫০০ টাকা করে সেচ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
সদর উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, নেরিকা জাতের ধান কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আফ্রিকা থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিয়ে এসেছেন। কৃষি বিভাগ উফসী অন্য ধানের ক্ষেত্রে সেচ সুবিধা বাবদ ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দিলেও কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশে নেরিকা ধানের আবাদের জন্য সেচ সুবিধা ও আগাছা দমনের জন্য জেলায় এক হাজার টাকা করে ৫০০ জন প্রান্তিক ধান চাষিকে দেওয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাঈম আস সাকীব বলেন, দাম বেশি পাওয়ার কারণে চাষিরা ধান আবাদে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

আরও পড়ুন