ছাত্রী নির্যাতনে অভিযুক্ত এশা ঝিনাইদহের মেয়ে

আপডেট: 07:39:57 11/04/2018



img
img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রীদের নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী ইফফাত জাহান এশার বাড়ি ঝিনাইদহে। তার বাবার দাবি, মেয়েকে ‘অন্যায়ভাবে’ বহিষ্কার করা হয়েছে।
এশা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি। তার বাড়ি ঝিনাইদহে।
কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে গত রাতে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ছাত্রলীগ নেত্রী এশা ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুরের ইসমাইল হোসেন বাদশার মেয়ে। বাদশা জেলা দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)। এশা তিন বোনের ছোট। তাদের কোনো ভাই নেই।
এশা ঝিনাইদহ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি ও ২০১২ সালে ঝিনাইদহ সরকারি নুরুন্নাহার মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।
ছাত্রলীগ নেত্রী এশার বাবা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, ‘আমার মেয়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সব মিথ্যা, ভুয়া। সবই ষড়যন্ত্র।’
অভিযোগ ওঠে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে হলের তিন ছাত্রীকে একটি কক্ষে ডেকে নির্যাতন করেন এশা। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীদের চিৎকার শুনে সেখানে যান উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী মোর্শেদা খানম। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে কক্ষের জানালার কাচে মোর্শেদার পা কেটে যায়।
খবর পেয়ে অন্য ছাত্রীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এশাকে মারধর করে তাকে আটকে রাখেন। ছাত্রী নির্যাতন করায় এশাকে বহিষ্কারের দাবিতে সাধারণ ছাত্রীরা তাদের কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। রাত তিনটা ৫০ মিনিটে সুফিয়া কামাল হলের ভেতরে ছাত্রীরা ওই ছাত্রলীগ নেত্রীর কুশপুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরুর পর পরই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এশাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন