জনরায় মেনে নিন : তালুকদার

আপডেট: 02:56:58 16/05/2018



img

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন নবনির্বাচিত মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা তালুকদার আব্দুল খালেক। ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য তিনি নগরবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিএনপির ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার দুরভিসন্ধি বাদ দিয়ে জনরায় মেনে নিন।’
বুধবার (১৬ মে) বেলা ১২টার দিকে খুলনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কেসিসি নির্বাচনে জয়ের পর আওয়ামী লীগ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। 
তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘নির্বাচনের শুরু থেকেই পরিবেশ সুষ্ঠু ছিল। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। কয়েকটি কেন্দ্রে সংগঠিত ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আর কিছু না। বিএনপি এই নির্বাচনে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে তৎপর ছিল। কিন্তু জনগণ তাদের মতো করেই রায় দিয়েছেন।’
তিন বলেন, ‘মাঠে সাংবাদিকরা সক্রিয়ভাবেই উপস্থিত ছিলেন। তারা যা যা দেখেছেন তাদের মতো করে তুলে ধরেছেন। সেখানে নির্বাচনের অনিয়ম বা আপত্তিকর কিছুর চিত্র উঠে আসেনি। এর থেকেই প্রমাণিত হয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী এক লাখ নয় হাজার ভোট পেয়েছেন। এর মাধ্যমেও প্রমাণিত নির্বাচন অবাধ ছিল। অবাধ নির্বাচন ছাড়া কেউ এতো ভোট পেতে পারেন না।’
তিনি বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার দুরভিসন্ধি বাদ দিয়ে জনরায় মেনে নিন।’
কেসিসি নির্বাচনে সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে- বিএনপির এই অভিযোগ বিষয়ে খালেক বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমার পক্ষে কোনো ধরনের অপরাধীর অবস্থান ছিল না। আমি  অপরাধীদের চিনি না, কোনো সন্ত্রাসী লালনও করি না। বিএনপির আমলে এদেশে জঙ্গিদের উত্থান হয়েছে। বাংলা ভাইয়ের মতো লোকের আবির্ভাব হয়েছে। ফলে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের সঙ্গে বিএনপি পরিচিত, আওয়ামী লীগ নয়।’
তিনি বলেন, ‘আমি মঞ্জুসহ নগরীর সবার সহযোগিতা চাই। মঞ্জুর সুন্দর সহযোগিতা নগরীর উন্নয়নে সহায়ক হবে। আমি বারবার তার সহযোগিতা চাইবো।’
দায়িত্ব গ্রহণের পর  কাজ কী হবে সেব্যাপারে নবনির্বাচিত মেয়র বলেন, ‘আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর খুলনাকে মাদক, সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যুমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলবো। এটা আমার অঙ্গীকার। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর এই শহর হবে পরিচ্ছন্ন ও প্রশান্তির শহর। এর আগে ২০০৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি যেখানে শেষ করেছিলাম, সেখান থেকেই আবার শুরু করবো। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করবো। প্রথম কাজ হবে খুলনাবাসীকে জলবদ্ধতামুক্ত করা। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে খুলনার মানুষের উন্নয়ন হয়। আগামী পাঁচ বছরে খুলনায় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কাজ হবে।’

আরও পড়ুন