ঝিনাইদহে নিখোঁজের ২০ দিন পর ছাত্র ‘গ্রেফতার’

আপডেট: 02:58:34 05/12/2017



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ শহরে মাসুম বিল্লাহ (১৮) নামে এক মাদরাসাছাত্রকে গ্রেফতারের দাবি করেছে র‌্যাব। আটক মাসুম জেএমবির সক্রিয় সদস্য বলে দাবি করা হচ্ছে।
র‌্যাবের মতে, সোমবার দিনগত গভীর রাতে ঝিনাইদহ শহরের কবি গোলাম মোস্তফা সড়ক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাসুম বিল্লাহ কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে ও হাজি আলতাফ হোসেন হরিন্দিয়া আলিম মাদরাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
গত ১৫ নভেম্বর বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সাদা পোশাকের লোকজন তাদের বাড়ি থেকে মাসুমকে তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব শাখাই মাসুমকে ধরার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল।
র‌্যাব-৬, সিপিসি-২ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনির আহমেদ দাবি করেন, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ এর ৯(২)/১২ মামলার আসামি মাসুম বিল্লাহ ঝিনাইদহ শহরে অবস্থান করছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এর আগে, গত ১২ অক্টোবর বিকেলে মাসুম বিল্লাহর চাচাতো ভাই মাকছুদুর রহমান ওরফে মাসুদ রানাকে (২২) অপরিচিত কয়েক যুবক কোটচাঁদপুরের গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে যায়। তিনি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ মাসুদ রানার বৃদ্ধ বাবা মোমিনুল ইসলাম জানান, বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩৭৭৬৯ নম্বরের কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস আসে তাদের গ্রামে। মাইক্রোবাসে চার ব্যক্তি ছিলেন। মাসুদসহ আরো ৫-৬ জন ওই সময় গ্রামের বাজারের পাশে বসে ছিলেন। আগন্তুকরা নিজেদের গ্রামীণফোনের কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন। এরপর ফোন কোম্পানির টাওয়ার নির্মাণের জায়গা দেখার কথা বলে মাসুদ রানাকে নিয়ে গ্রামের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তারা। এরপর আরো নতুন জায়গা দেখার কথা বলে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে যান মাসুদকে। তখন থেকে মাসুদ নিখোঁজ।
মোমিনুল আরো বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের বক্তব্য বদলে ফেলে সাদামাটা একটি জিডি (নম্বর ৪৮২ ) গ্রহণ করে।’

আরও পড়ুন