ডিআইজি মিজানের গুলি কেনার আবেদন নাকচ

আপডেট: 08:46:40 02/06/2018



img

মাগুরা প্রতিনিধি : আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি মিজানুর রহমান তার ব্যক্তিগত পিস্তলের জন্য ৪০ রাউন্ড গুলি কেনার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন মাগুরার জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ৩২ বোরের পিস্তলের জন্য ৪০ রাউন্ড গুলি কেনার অনুমতি চেয়ে গত ২৮ মে সোমবার তিনি মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন।
জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ও সার্বিক বিবেচনায় তার আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ডিআইজি মিজানের আবেদনপত্র লেখাও সঠিক হয়নি। কারণ তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বদলে আবেদনে জেলা প্রশাসক লিখেছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২৮ মে তারিখে স্বাক্ষরিত আবেদনপত্রটি তিনি ওই দিন ঢাকা থেকে একজন পুলিশ কনস্টেবলকে দিয়ে মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছান। এতে তিনি লেখেন, ২০১১ সালে মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় পিস্তলটি কিনেছিলেন । এর লাইসেন্স নম্বর ০৬/মাগুরা/১৯৯৮। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পিস্তলটির নম্বর ডিএএ-৪৯৪৩৮১। এটি কেনার সময় ৩২ বোরের দশ রাউন্ড গুলিও কেনেন তিনি।
আবেদনে ডিআইজি মিজান বলেন, এখন তিনি আরো ৪০ রাউন্ড গুলি কিনতে চান। এ জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমতি প্রয়োজন।
সূত্র আরো জানিয়েছে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত মাগুরা জেলা প্রশাসন থেকে পিস্তলটির লাইসেন্স নবায়ন করিয়েছেন ডিআইজি মিজান। চলতি বছর অন্য জেলা থেকে নবায়ন করলেও সে তথ্য এখনো মাগুরায় আসেনি। ওই সূত্র আরো জানায়, আগে না থাকলেও এখন গুলির হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তিনি আগের কেনা দশ রাউন্ড গুলির কোনো হিসেব দেননি।
এ ব্যাপারে ডিআইজি মিজানুর রহমানের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য আবেদনে উল্লেখ করা ফোন নাম্বারে রিং করে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এক নারীকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে ও এক সংবাদ পাঠিকাকে হয়রানির অভিযোগে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। জ্যেষ্ঠ এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।

আরও পড়ুন