দৌলৎগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর চালুর দাবি

আপডেট: 02:57:07 04/09/2017



চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার দৌলৎগঞ্জ ও ভারতের মাঝদিয়া স্থলবন্দর চালুর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া মানববন্ধন দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ‘দৌলৎগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটি’র আয়োজনের এ কর্মসূচিতে ২৫টি সংগঠন অংশ নেয়।
দৌলৎগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. আব্দুল লতিফ অমলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জীবননগর পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা, সমাজসেবক কাজী বদর, ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন ও উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান।
বক্তারা বলেন, দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দরটি ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত শুল্ক স্টেশন হিসেবে চালু ছিল। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় শুল্ক স্টেশটি বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে শুল্ক স্টেশনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশে আবার চালু হয়। ১৯৯৪ সালের ৩ নভেম্বর এসআরও ১৩৬-আইন/৯৪/১৫৬৮ শুল্ক নম্বর প্রজ্ঞাপনে এই স্থলবন্দর দিয়ে সকল প্রকার পণ্য আমদানি-রপ্তানির আদেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯৫ সালে শুল্ক স্টেশনটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরে ২০০৯ সালের ১১ জুন জারি করা আরেক প্রজ্ঞাপনে সব ধরনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে ১৯টি পণ্য আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ২০০৯ সালের শুল্ক এসআরও বুকলেট মোতাবেক দৌলৎগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর দেশের মধ্যে ২৭তম। বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে ৩১ জুলাই দৌলৎগঞ্জ-মাঝদিয়া পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ বন্দরটি চালু হয়নি।’
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২৪ আগস্ট নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ফিতে কেটে দৌলৎগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বন্দরটি চালু হয়নি। তারপর থেকে ব্যবসায়ীরা বন্দরটি চালুর জন্য আন্দোলন করে আসছেন।

আরও পড়ুন