নির্বাচনের আগে ইজতেমা নয়

আপডেট: 09:13:05 01/12/2018



img
img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে নির্বাচন পর্যন্ত ইজতেমার সব আয়োজন বন্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
তিনি বলেন, সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, ৩০ তারিখে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেজন্য আমরা আগেও বলেছিলাম নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের ইজতেমা হবে না। আমরা সেটাকেই আবার রিপিট করেছি- ইলেকশন পর্যন্ত ইজতেমার জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি সভা কিংবা জোড় ইজতেমা কিংবা ইজতেমার জন্য সব ধরনের কার্যকলাপ সারা দেশব্যাপী বন্ধ থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো রিপিট করছি, ইজতেমার তারিখ কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না, ইজতেমার তারিখ শুধু শিফট হচ্ছে, ইলেকশনের পর যে কোনো সময়ে এটা হবে।
তিনি বলেন, এখন থেকে ইজতেমার মাঠ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। প্রশাসন সেটা নিয়ন্ত্রণে রাখবে আমরা সেখানে কাউকে অ্যালাউ করব না। আজকে যে ঘটনা ঘটেছে তারা সবাই নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছেন।
এ বিষয়ে ফৌজদারি মামলা হবে। ফৌজদারি মামলায় যেভাবে তদন্ত হয় সেভাবেই তদন্ত হবে। তদন্তে চিহ্নিত দোষী ব্যক্তিদের আইনানুযায়ী বিচার হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, দিল্লি মারকাজের মাওলানা মোহাম্মদ সা'দ কান্ধলভিপন্থী বাংলাদেশে তাবলিগের শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, বিরোধীপক্ষ কওমিপন্থী মাওলানা জুবায়েরের পক্ষ থেকে তাবলিগের উপদেষ্টা মাওলানা আশরাফ আলী ও আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ।
প্রশাসনের পক্ষে বৈঠকে ছিলেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র্যা বের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ও মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসঊদ প্রমুখ।
এর আগে টঙ্গীতে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু ও অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হন।
সূত্র : মানবজমিন