নির্বাচন : ঝিনাইদহে আশঙ্কায় ভোটাররা

আপডেট: 04:26:30 23/03/2019



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের চার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটের সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টা থেকে জেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোট গ্রহণের সামগ্রী বুঝে নেন।
তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ রোববার সদর, কালীগঞ্জ, শৈলকুপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও ভোটাররা কেন্দ্রে আসবে কিনা এ নিয়ে প্রশাসন, প্রার্থী ও ভোট গ্রহণের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চিন্তিত। ভোটার ও প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এমনটিই জানা গেছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মিঠু বলেন, ‘ভোটাররা অনেকে বলেছে, আমরা না গেলেও ভোট হয়ে যাবে। তাহলে আমরা গিয়ে কী করবো? আপনারা আমাদের ভোটটি দিয়ে নেবেন।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচন। তার আগে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় নির্বাচন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচনের অভিজ্ঞতা আরো চিন্তিত হওয়ার খোরাক যোগাচ্ছে।
এদিকে, শৈলকুপা উপজেলার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েক দিনে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ২০ নেতা-কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে একটি নির্বাচনী অফিস, একটি দোকানসহ বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি।
ভোট উপলক্ষে ঝিনাইদহে বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসারসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১২১৯ জন পুলিশ সদস্য, এপিবিএন (পুলিশ) ৮০ জন, র‌্যাব সদস্য ৬৫ জন এবং নয় প্লাটুন বিজিবি এবং পাঁচ হাজার ৭৬ জন আনসার সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও থাকবে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিম।
জেলার উল্লিখিত চার উপজেলাগুলোয় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২৩। এরমধ্যে ২৫৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছে। শুধু শৈলকুপা উপজেলা ১২০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০০টি কেন্দ্রকেই বেশি ঝুঁকিপ‚র্ণ বলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন