পলাশ হত্যার চার্জ গঠন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

আপডেট: 09:13:44 16/05/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কবির হোসেন পলাশ হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় আজ বুধবার খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদারের আদালতে চার্জ গঠন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে আগামী ২১ মে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাকেরিন সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, শহরের ষষ্ঠিতলাপাড়ার মৃত শফি মিয়ার ছেলে তরিকুল ইসলাম, চাঁচড়া রায়পাড়ার মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে প্রিন্স ওরফে বিহারি প্রিন্স, পূর্ব বারান্দীপাড়া কবরস্থান রোডের আব্দুল করিম ফকিরের ছেলে রাজ্জাক ফকির, গাড়িখানা রোডের মসলেম উদ্দিন ড্রাইভারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা মানিক, ঘোপ বৌবাজার এলাকার মজিবর শেখের ছেলে রবিউল শেখ, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের গাজী জাহিদুর রহমানের ছেলে সজল, সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে টুটুল গাজী, বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার ফিরোজ আলীর ছেলে ফয়সাল গাজী, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার বিল্লাল খানের ছেলে শহিদুল ইসলাম খান ওরফে সাইদুল, বাঘারপাড়া উপজেলার বহরমপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শহরের ষষ্ঠিতলাপাড়ার অস্থায়ী বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম এবং যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আল মাসুদ রানা ওরফে মাসুদ। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রিন্স ওরফে বিহারি প্রিন্স পলাতক রয়েছে।
২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শহরের ঈদগাহ মোড়ে মোটরসাইকেলযোগে আসা সন্ত্রাসীরা পলাশকে গুলি করে ও বোমা মেরে খুন করে।
এ ঘটনায় নিহতের বোন ফারহানা ইয়াসমিন ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই আবুল খায়ের মোল্লা গত ৯ এপ্রিল দশজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসা হত্যার পরিকল্পনাকারী ব্যবসায়ী মাসুদ ও সন্দেহভাজন হিসেবে আটক শফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
‘হত্যা পরিকল্পনাকারীকে’ অব্যাহতির সুপারিশ করায় মামলার বাদী ফারহানা ইয়াসমিন রুমা দাখিল করা দুটি চার্জশিটের বিরুদ্ধে ১৩ জুলাই আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন। এর প্রেক্ষিতে বিচারক মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, যশোরকে নির্দেশ দেন।
তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই যশোরের ওসি একেএম ফারুক হোসেন ‘হত্যা পরিকল্পনাকারী’ মাসুদসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পান। এরপর তিনি এ চার্জশিট দাখিল করেন। একই সঙ্গে তদন্তকালে আটক শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
কাস্টমস নিলামকে ঘিরে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে বাদী পক্ষের অভিযোগ।

আরও পড়ুন