পাইকগাছায় জাল সনদপত্রে চাকরি

আপডেট: 02:42:46 10/05/2018



img

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : জাল সনদপত্র দিয়ে চাকরি করায় পাইকগাছায় এক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল ও তার এ পর্যন্ত গৃহিত যাবতীয় বেতন ভাতা ফেরতের সুপারিশ করেছেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের অডিট কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দীন। তা সত্তে¡ও ওই শিক্ষক বহালতবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছেন।
অভিযোগ ওঠে, উপজেলার শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক শংকরপ্রসাদ মুনি জাল সনদপত্র দিয়ে চাকরি করছেন। শংকর ২০০২ সালের ১ জুলাই চাকরিতে যোগ দেন। সেই থেকে সরকারি বেতনভাতা উত্তোলন করে আসছেন তিনি। এ যাবত তিনি বেতন-ভাতা বাবদ ১৪ লাখ ৪৫ হাজার ১৩ টাকা নিয়েছেন। অডিট কর্মকর্তার রিপোর্টে সনদপত্রটি জাল সন্দেহ হলে তিনি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, বগুড়ায় তা যাচাইয়ের জন্য পাঠান। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই করে ‘ওই নামে ১৩৪০৫ নম্বর সনদপত্র প্রদান করেননি’ বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৭ অক্টোবর ’১৭ এর ৫৭.২১.০০০০.০০৭.৩৬. ০০১.১৭-১১৩৩ নম্বর স্মারকে পরিচালক, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত পত্রে দেখা যায়।
এদিকে, ৩০ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত গৃহিত অর্থ ফেরত ও নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ করা হলেও এরপরও শিক্ষক মুনি আরো দুই বছর ধরে বেতন-ভাতাসহ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে চলেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জাল সনদপত্র দিয়ে চাকরির সুবাদে বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করা চরম অপরাধ। এর কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত।’
শিক্ষক শংকর প্রসাদ মুনি বলেন, ‘আমার কাগজপত্র সবই সঠিক। পুনরায় তদন্ত করার জন্য প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবদীন বলেন, ‘বিষয়টি অবগত হয়েছি। যেহেতু মন্ত্রণালয়ের বিষয়, সে কারণে আমার বা আমাদের কিছু করার নেই।’

আরও পড়ুন