পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক : চেয়ারম্যান পলাশের ভাই

আপডেট: 08:33:44 07/03/2018



img

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের নিহত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশের পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় উপজেলার কুমড়ী পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত চেয়ারম্যানের বড় ভাই ও পলাশ হত্যা মামলার বাদী সাইফুর রহমান হিলু। এ সময় কুমড়ী এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাইফুর রহমান হিলু বলেন, ‘গত ১৫ ফেব্রæয়ারি লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে দিঘলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশকে (৪৯) প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ও নড়াইল জেলা পরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘চেয়ারম্যান পলাশ হত্যার পর ২০ দিন অতিবাহিত হলেও চাঞ্চল্যকর এ মামলার কোনো অগ্রগতি হয়নি। পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফ মনিরুজ্জামান ও তার ভাই শরীফ বাকী বিল্লাহকে পুলিশ আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের আটকে পুলিশ রহস্যজনক ভূমিকা পালন করছে।’
খুনের ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা আতংকিত হয়ে পড়েছেন উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে কুমড়ী গ্রামে কয়েকটি বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা আসামিদের সাজানো নাটক। হত্যা মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি ও তাদের আত্মীয়-স্বজনরা নিজেদের বাড়ি নামমাত্র ভাংচুর করে হত্যা মামলার বাদী পক্ষের ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে।’
সংবাদ সম্মেলনে পলাশ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নিহত চেয়ারম্যানের ছোট ভাই শেখ তুহিন, সমাজসেবক কালাম শেখ, ইঞ্জিল শেখ, রেখা খানম প্রমুখ।

আরও পড়ুন