ফের চূড়ান্ত বরখাস্তের মুখে বিতর্কিত শিক্ষক শ্রাবণী সুর

আপডেট: 02:56:57 15/05/2018



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : ফের চূড়ান্ত বরখাস্ত হতে চলেছেন যশোরের বিতর্কিত শিক্ষক শ্রাবণী রাহা ওরফে শ্রাবণী সুর।
শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, জাল সনদে নিয়োগ, ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টে উসকানিমূলক সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মনোগ্রামসম্বলিত ব্যাজ ছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ, বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাৎ এবং অবাধ্যতার অভিযোগে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর শ্রাবণী সুরকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে শ্রাবণী সুরের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা অনুমোদনের জন্য ২২ এপ্রিল যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আপিল অ্যান্ড আরবিট্রেশন বোর্ডে পাঠিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যশোর নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, শ্রাবণী সুর তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তাকে সপদে বহালের জন্য যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড একটি আদেশ দিয়েছেন। অচিরেই তিনি পুনর্বহাল হবেন।
এর আগে শহরের মধুসূদন তারাপ্রসন্ন (এমএসটিপি) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকেও শ্রাবণী সুরকে বরখাস্ত করা হয়েছিল ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে। সেসময় তিনি বহিষ্কারাদেশকে তার বিরুদ্ধে ‘সাম্প্রদায়িক দলন ও অন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিনি মামলা এবং তাকে হুমকি দিয়েছিলেন ‘বেশিদূর না এগুনোর’ জন্য। এবার নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্তের পর তিনি তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমতে থাকায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিকে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে রূপ দিয়ে নিয়মিতকরণের উদ্যোগ নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় বিদ্যালয়টি ২০১২ সালের দিকে ‘যশোর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে ক্লাস পরিচালনা করতে থাকে। কিন্তু, নৈশ শাখার এমপিওভুক্তি থাকায় বিদ্যালয়টি কাগজেকলমে এখনো ‘যশোর নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচিত। শ্রাবণী রাহা, যিনি যশোর শহরে শ্রাবণী সুর নামেই বেশি পরিচিত, ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল যশোর নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বলা হচ্ছে, এরপর থেকে শুরু হয় তার দুর্নীতি ও অনিয়ম।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল কবির জাহিদ স্বাক্ষরিত ২২ আগস্ট ২০১৭ শ্রাবণী সুরের সাময়িক বহিষ্কারাদেশ (স্মারক সংখ্যা যনৈমাবি ৪২/১৭) থেকে জানা যায়, এর আগে শ্রাবণী সুরকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০১৭ সালের ৯ জুন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ জুন তাকে ওই নোটিস দেওয়া হয়। ৩০ জুন শ্রাবণী সুর যে জবাব দিয়েছেন ১৯ আগস্টের সভায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাছে তা ‘সন্তোষজনক’ মনে হয়নি। সেই কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পরিচালনা কমিটি। একইসঙ্গে অভিযোগ তদন্তে শহীদ মসিয়ূর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ পাভেল চৌধুরী, আব্দুস সামাদ মেমোরিয়াল স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আতিয়ার রহমান এবং জেলা শিক্ষা অফিসের বিদ্যালয় পরিদর্শক গাজী হুমায়ুন কবিরকে সদস্য করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উত্থাপিত অভিযোগগুলোর মধ্যে দশটি বিষয়ের তদন্ত করা হয়। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে স্বপ্নারানি বিশ্বাস নামে একজনের কাছ থেকে দুই লাখ ১৭ হাজার টাকা ঘুষ আদায়, ছাত্রীদের স্কুলড্রেস তৈরিতে ৬০ হাজার ৭০৫ টাকা আদায় করে ক্যাশ বইতে জমা না করা, কর্মচারীদের প্রতি অসদাচারণ ও তার স্বামী কর্তৃক বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন, বিপিএড শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে অনুপ বৈরাগী নামে একজনের কাছ থেকে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ, ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ৪৩৪টি অনুমোদনহীন ভাইচারের মাধ্যমে তিন লাখ পাঁচ হাজার ৯৫৫ টাকা উত্তোলন, ঢাকায় যাতায়াত বাবদ অননুমোদিতভাবে ৮৯ হাজার ৮৬৩ টাকা খরচ, বিশেষ পাঠদান থেকে গৃহীত অর্থের ১০ শতাংশ হারে ১৮ হাজার ৪৮৫ টাকা গ্রহণ, দুর্নীতি দমন কমিশনে দেওয়ার নামে ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ, ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টকারী স্কুলব্যাজ অনুমোদন ছাড়াই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ এবং অনুমোদন ছাড়াই খণ্ডকালীন একাধিক কর্মচারী নিয়োগ দেখিয়ে তাদেরকে বেতন প্রদান।
তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে স্বপ্না বিশ্বাসের কাছ থেকে দুই লাখ ১৭ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছে এবং এ সংক্রান্ত একটি অডিও রেকর্ডিং তাদের হাতে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন। ওই টাকা শ্রাবণী সাহা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতসারেই নিয়েছেন বলে নিজের মুখে স্বীকারোক্তিসম্বলিত ওই অডিও রেকর্ডিংটি সুবর্ণভূমির হাতেও এসেছে।
স্বপ্না বিশ্বাসের স্বামীর সঙ্গে শ্রাবণী সুরের কথোপকথনের ওই রেকর্ডে শ্রাবণী সুর উৎকোচের টাকার অংককে ‘নগণ্য’ উল্লেখ করে এক প্রকার উপহাসই করেছেন। তিনি স্বপ্নার স্বামীকে বলেন, ‘আমি কমিটির লোককে আগে বলিনি, এখন বলবো যে স্কুলের উন্নয়ন কাজে খরচের জন্য টাকাটা নিয়েছিলাম।’
স্বপ্না সুবর্ণভূমিকে জানান, স্কুলের উন্নয়নের কথা বলে শ্রাবণী সুর তার কাছ থেকে এই টাকা নিয়েছিলেন। যা তার স্বামী নৃশংকর মণ্ডল প্রধান শিক্ষক শ্রাবণী সুরের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছিলেন। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির কোনো সদস্য এই লেনদেনের কথা জানতেন না।
প্রায় দুই বছর চাকরিকালীন সময়ে স্কুল থেকে কোনো টাকা পাননি দাবি করে স্বপ্না বলেন, ‘এমনকি স্কুলে যাওয়া-আসার খরচও আমার স্বামীর কাছ থেকে নিতে হতো। বেতন করানোর নামে আমার কাছ থেকে আরো ১১ হাজার টাকা নিয়েছেন শ্রাবণী। পরে জানলাম এখানে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষকের কোনো পদ নেই। বাধ্য হয়ে দুই বছর পর আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিই।’
স্বপ্নারানি আরো বলেন, ‘ম্যাডামকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু তিনি দেননি। তারপর কমিটির কাছে দরখাস্ত করি।’
ক্রীড়া শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার নামে অনুপ বৈরাগীর কাছ থেকে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত কমিটি বলেছে, এক লাখ ২৮ হাজার টাকার হিসেব তারা পেয়েছেন। ‘এ ব্যাপারে শ্রাবণী রাহা যে জবাব দিয়েছেন সেটা সন্তোষজনক মনে হলো না। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে সংরক্ষিত অনুপ বৈরাগীর ফাইল থেকে কাগজপত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে জানান। এই ঘটনার দায় প্রধান শিক্ষকের উপর বর্তায়।’
প্রসঙ্গত, নিয়োগের ক্ষেত্রে শ্রাবণী সুর অনুপ বৈরাগীর যোগ্যতা হিসেবে জাল সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছিলেন। এ বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি তার ফাইল থেকে সেসব সার্টিফিকেট সরিয়ে ফেলেন এবং এ বিষয়টির ভয় দেখিয়ে অনুপকে টাকা ফেরত দেওয়া থেকে রক্ষা পান বলে অভিযোগ।
শ্রাবণী সুরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মধ্যে সবচে’ গুরুতর হলো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া স্কুলব্যাজ প্রদান। এই ব্যাজটি হিন্দু দেবী সরস্বতীর মূর্তির আদলে তৈরি করা; যা মুসলমান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে দাবি করে একজন অভিভাবক লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলা হয়ে উঠতে পারে আশংকায় শ্রাবণী সুর পরে সেই স্কুলব্যাজ প্রত্যাহার করে নেন। তদন্ত কমিটির কাছে শ্রাবণী সুর ঘটনার দিন ছুটিতে ছিলেন দাবি করলেও তিনি ছুটি থেকে ফিরে এসে এ বিষয়ে কেনো প্রতিকার করেননি সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি বলেছে, ‘শিক্ষকদের বক্তব্য, তাদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করেছিলেন; যা শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিলো।’
শ্রাবণীর বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ দুদকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে শিক্ষকদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়েছে তারা লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের স্তর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে দুদকে টাকা দেওয়ার নাম করে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এতে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেল না। এ বিষয়টি ‘দুদককে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে তদন্ত কমিটি।
অন্যান্য অভিযোগের বিষয়েও তদন্ত কমিটি শ্রাবণী সুরের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।
প্রতিবেদনের শেষে তদন্ত কমিটি মন্তব্য করেছে, ‘বিদ্যালয়টি পরিচালনার ক্ষেত্রে যে অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হলো তার দায় সদস্য সচিব (শ্রাবণী সুর) এড়াতে পারেন না।’
তারা আরো বলেছেন, ‘সদস্য সচিব শ্রাবণী রাহার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে পরিচালনা পরিষদকে উপেক্ষা ও অবাধ্যতার প্রবণতা পরিলক্ষিত হলো। তদন্ত কাজ সম্পাদন করতে যেয়ে আমাদের উপলব্ধি হলো, বিদ্যালয়টি পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া এই সমস্যা নিরসন সম্ভব না।’
যশোর নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল কবির জাহিদ সুবর্ণভূমিকে জানান, একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ২২ অক্টোবর শ্রাবণী রাহাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। পরে সরকারি বিধি মোতাবেক গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে। এর ভিত্তিতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির গত ২২ এপ্রিলের সভায় তাকে চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যা অনুমোদনের জন্য আরবিট্রেশন বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ১৩ মে রাতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শ্রাবণী সুরের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি এগুলোকে ‘কারো কারো মস্তিষ্কপ্রসূত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংবাদকর্মীকে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের তদন্ত রিপোর্টে ওই সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে তাকে ১০ মে পত্র দ্বারা স্কুলে সপদে যোগদানের অনুমতি প্রদান করেছেন। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই পত্রের আলোকে তাকে যোগদানের অনুমতি দিয়ে পত্র প্রেরণ করেছেন। যার আলোকে তিনি শনিবারই সভাপতি বরাবর যোগদানের আবেদনপত্র দিয়েছেন। সহসাই তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করবেন বলে দাবি করেন।
বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, শ্রাবণী সুরের দাবি করা চিঠিটি তিনি দেখেননি। তাছাড়া জেলা প্রশাসক যে অভিযোগের তদন্ত করেছিলেন তা ছিল ‘জাতির পিতার প্রতি অনীহা ও অবজ্ঞা প্রদর্শনকারী বহিষ্কৃত শিক্ষককে পুনর্বহালের জন্য আমার ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ওই শিক্ষককে পুনর্বহাল না করার নির্দেশ দিলে সেটা বাস্তবায়ন করা হয়। এটা নিয়ে মামলাও বিচারাধীন। এই অভিযোগের সাথে শ্রাবণী সুরের দুর্নীতিসহ অন্যান্য অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই। বিষয়টি দেখে পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নেবে।’
তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, ‘নিজের অপকর্ম আড়াল করতে শ্রাবণী সুর পরিকল্পিতভাবে আমার ও প্রতিষ্ঠানের অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক অভিযোগ দায়ের করে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’

আরও পড়ুন