বন্ধ স্কুলে গোবর শুকান গৃহিণীরা

আপডেট: 02:27:07 06/01/2017



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : ছোট্ট ভবন। বারান্দায় গোবর শুকাচ্ছে। দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কি স্কুলভবন না গেরস্ত বাড়ি।
যশোরের সীমান্তবর্তী বেনাপোলের কাগমারী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এটি। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত অচল। ফলে গ্রামের কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা নিতে বেনাপোল-যশোর মহাসড়ক পার হয়ে যেতে হয় পাশের গ্রামে।
কাগমারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাপান সরকারের অর্থায়নে পল্লী উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সংস্থা স্থাপন করেছিলো ২০০১ সালে। কিন্তু কয়েক বছর পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে স্থানীয় এমপির অনুদানে আবার চালু হয়েছিল বিদ্যালয়টি। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে অল্প কিছুদিনের মধ্যে আবার বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যালয়টি। সেই থেকে আজো বন্ধ। শিক্ষকরাও চলে গেছেন।
এ গ্রামের ইউপি সদস্য মিন্টু মিয়া জানান, অনেক চেষ্টা করেও বিদ্যালয়টি অর্থের অভাবে চালানো যায়নি। শিক্ষকরা মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে কেউ আর ফ্রি কাজ করতে চাননি। একে একে সবাই চলে গেছেন। আর এ গ্রামটিতে অসহায় লোকের বাস বেশি। সে কারণে কেউ অর্থ যোগান দিতেও পারেনি।
বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলটির খোলা চত্বর এখন পাশের গেরস্তবাড়ির কর্ত্রীদের গোবর শুকানোর স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে সরকার কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেনি। যেহেতু এই বিদ্যালয়টি তার আগে বন্ধ হয়ে গেছে, সেহেতু নতুন করে চালু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

আরও পড়ুন