বাংলাদেশ ভ্রমণে ফের ব্রিটিশ সতর্কতা

আপডেট: 02:39:23 07/01/2017



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : ফের বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে দেশটির নাগরিকদের সতর্ক হয়ে চলতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত গ্রুপগুলো এখনও সক্রিয়।
এর আগের সন্ত্রাসী হামলাগুলোর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নিরাপত্তারক্ষীরা রয়েছে উচ্চ সতর্কতায়। ৫ জানুয়ারি ব্রিটিশ সরকারের ওয়েবসাইটে এক সতর্কবার্তায় এসব কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি এবং ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি দু’দফায় টঙ্গীর তুরাগ নদীর পাড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। এ সময় ইজতেমায় যোগ দেওয়া মানুষের ব্যাপক চাপ থাকতে পারে প্রায় সব সড়কে; মহাখালী, কাকলি, নিকুঞ্জ, বিশ্বরোড, খিলখেত, উত্তরা ও টঙ্গীতে। ঢাকায় শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা বিঘ্নিত হতে পারে।
সতর্কবার্তায় আরো বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ১ জুলাই ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলা হয়। এতে ২০ জিম্মি ও দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তাদের আরো বলা হয়েছে, স্থানীয় মিডিয়া অনুসরণ করে চলাচল করতে। সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকা, যার বিষয়ে স্থানীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন বা দেবেন তা এড়িয়ে চলা উচিত।
ব্রিটিশ সরকারের ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ১ জুলাই সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে দায়েশ বা আইসিল। তারা ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে। ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এমন জীবনধারায় বিশ্বাসী অনেক মানুষকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে তারা। সাম্প্রতিক হামলাগুলোর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা রয়েছে উচ্চ সতর্ক। আরো সন্ত্রাসী হামলার উচ্চমাত্রার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে বিদেশিদের টার্গেট করে হামলা হতে পারে। যেসব স্থানে পশ্চিমারা সমবেত হন এমন লোকজনে পূর্ণ এলাকা রয়েছে হামলার উচ্চ ঝুঁকিতে। এসব এলাকায় যাওয়া-আসা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলাচল করতে বলা হয়েছে সতর্কতার সঙ্গে। আগেভাগে নিতে বলা হয়েছে যথার্থ নিরাপত্তা সতর্কতা।
ঢাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিষয়ে মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে ইউকে ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট। এরপর বলা হয়েছে, এই বিমানবন্দরের নিরাপত্তার মান আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নয়। যাতে এসব মান নিশ্চিত করা যায় সে জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতামূলক কাজ করছে ব্রিটিশ সরকার।
সূত্র : মানবজমিন

আরও পড়ুন