বাঘারপাড়ার বিউটি পার্লারগুলোতে তরুণীদের ভিড়

আপডেট: 07:02:05 03/07/2016



img

চন্দন দাস, বাঘারপাড়া (যশোর) : ঈদের কনাকাটা প্রায় শেষ। দুদিন বাদেই খুশির ঈদ। তাই তরুণী ও গৃহিণীরা এখন রূপচর্চার দিকে নজর দিচ্ছেন। উৎসবের দিনে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে সৌন্দর্যপিপাসু নারীরা ছুটছেন বিউটি পার্লারে। বাঘারপাড়ার বিউটি পার্লারগুলোতে নারীদের ভিড় লক্ষণীয়।
এক সময় কোন উৎসবে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গ্রামের নারীরা শুধু ঘরের চার দেয়ালের মধ্যেই সাজগোজ করতেন। কিন্তু সে অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। শহরের সঙ্গে তালমিলিয়ে গ্রামের নারীদের রূপচর্চাও এখন আর গৃহে সীমাবদ্ধ নেই। সামর্থবতীরা এখন উৎসবে মুখমণ্ডল, চুল ও হাত-পায়ের শোভা বর্ধনে ছুটে যান পেশাদার বিউটিশিয়ানদের কাছে। এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বাঘারপাড়ার নারীরাও।
ঈদ উপলক্ষে এখানকার স্কুল-কলেজের ছাত্রী, তরুণী ও গৃহিণীরা নিজেদের আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা ভিড় জমাচ্ছেন পার্লারগুলোতে।
উপজেলা সদরের স্কুল-কলেজ রোডের রূপ কল্পনা বিউটি পার্লারের পরিচালক সোমা ম-ল জানান, মূলত ২০ রোজার পর থেকে তরুণীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। ‘মানুষের সাধ্যের মধ্যে সেবামূল্য রাখা হয়’ উল্লেখ করে সোমা ম-ল জানান, এখানে ফেসিয়াল ১৫০ টাকা থেকে এক হাজার ৫০ টাকা, ব্লিচ ফেয়ার পালিশ ১৫০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ভ্রু প্লাক ২৫ টাকা, রিবোল্ডিং দুই হাজার থেকে দশ হাজার টাকা, চুল পাম্পিং ৩০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা, হেয়ার কালার ২৫০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা, পেডিকিওর ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, অক্সিন ৩০০ থেকে এক হাজার টাকা, হেয়ার ট্রিটমেন্ট ২০০ থেকে এক হাজার টাকায় করা হয় বলে জানান তিনি।
কথা হয় এ পার্লারে সাজতে আসা বাঘারপাড়ার নারিকেলবড়িয়ার কলেজ ছাত্রী রোকসানা, তাহমিনা ও শারমিনের সঙ্গে। তারা বলেন, ‘এখন মেয়েদের সাজগোজ মানেই বিউটি পার্লার। আর ঈদেতো একটু বেশিই সাজতে হয়। তাই ঈদ উপলক্ষে ফেসিয়াল করতে এসেছি।’
বাঘারপাড়া-চাড়াভিটা সড়কের কেজি স্কুল-সংলগ্ন ড্রিম গার্ল বিউটি পার্লারের পরিচালক তমা খাতুন বলেন, ‘সারা বছরই কাজ হয়। তবে ঈদ মৌসুমে কাজ বেড়ে যায় অনেক গুণ।
এই পার্লারে সাজতে এসেছিলেন স্থানীয় মহিরন গ্রামের গৃহবধূ নাসিমা আক্তার।
তিনি বলেন, ‘আগে রূপচর্চার জন্য যশোর শহরে যেতে হতো। কারণ বাঘারপাড়ায় ভালো মানের বিউটি পার্লার ছিল না। এখন কয়েকটি হয়েছে। এখানে খরচও সাধ্যেও মধ্যে।’

আরও পড়ুন