বিএনপি নেতা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে উপর্যুপরি মামলা

আপডেট: 07:57:22 10/02/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : নাশকতার অভিযোগে যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নামে ফের মামলা করেছে। এই নিয়ে গত তিনদিনে একই ধরনের তিনটি মামলা করলো পুলিশ।
সবশেষ শুক্রবার রাতে দায়ের করা মামলার বাদী কোতয়ালী থানার এসআই দেবাশীষ রায়। তিনি ১৭ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০-২৫ জনের নামে মামলাটি করেন।
গত তিনটি মামলার মতো এবারো নাশকতার অর্থ জোগানদাতা হিসেবে ব্যবসায়ী সাজেদুর রহমান সুজাসহ চারজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এই মামলায় একজনকে আটকও দেখানো হয়েছে। তিনি হলেন উপশহর সি বøক এলাকার ৫১ নম্বর বাড়ির ইউসুফ আলীর ছেলে আফিস আলী সুমন।
এজাহারে বর্ণিত পলাতক আসামিরা হলেন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন বাবুল, মোল্লাপাড়া আমতলা মালোপাড়ার নির্মলকুমার বিট, নগর ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মোস্তফা আমির ফয়সাল, জেলা যুবদলের সভাপতি এহসানুল হক মুন্না ও তার ভাই পাপ্পু, মোল্লাপাড়া আমতলা কবরস্থানের পাশের তহিদুর রহমান কুইন, চাঁচড়া ডালমিল তেতুঁলতলা এলাকার লালবাবু, বারান্দীপাড়া কদমতলা এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে জামান, বারান্দীপাড়া কদমতলা এলাকার টেনিয়া, মোল্লাপাড়া আমতলা কবরস্থানের পাশের শামীম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর উন নবী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম এবং নগর সভাপতি ও সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আসামিরা খালধার রোড বরফকলের সামনে নাশকতা করার জন্য জড়ো হন। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সেখানে হাজির হলে আসামিরা দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে সুমন নামে একজনকে আটক করা হয়। সেখান থেকে আসামিদের ফেলে যাওয়া দুটি বিস্ফোরিত বোমার অংশবিশেষ, ১৩টি জালের কাঠি (লোহার টুকরো), আগুনে আধা পোড়ানো একটি পুরনো টায়ার, কাটা-ছেড়া স্কস টেপের ছয়টি টুকরো, বোমাসদৃশ একটি বস্তু, নয়টি কাচের মারবেল, ২০টি বাঁশের লাঠি, এক কেজি ওজনের ছোটবড় ২০টি পাথরের টুকরো জব্দ করা হয়েছে।
এজাহার মতে, আটক আসামি সুমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি পুলিশকে জানান, আসামিরা বিভিন্ন সময় আন্দোলনের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা, বোমাবাজি, দোকানপাট, বৈদ্যুতিক স্থাপনাসহ সরকারি বেসরকারি বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অগ্নিসংযোগসহ মানুষের জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে আসছেন। আর এই কাজে অর্থ যোগান দিয়ে আসছেন শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেজপাড়া চারখাম্বার মোড়ের সাজেদুর রহমান সুজা, বিএনপি নেতা মুল্লুক চাঁদ ও তার ভাই রিপন চৌধুরী এবং আরএন রোডের বিশিষ্ট ফার্নিচার ব্যবসায়ী এল রহমানের ছেলে সোহাগ।

আরও পড়ুন