বিমানবন্দরে হামলাকারী ইরাকফেরত মার্কিন সেনা

আপডেট: 03:32:39 07/01/2017



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেল বিমানবন্দরের হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহে আটক ব্যক্তি মার্কিন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য ছিলেন। ইরাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটলিয়নের হয়ে প্রায় এক বছর কাজ করেন তিনি। তার মানসিক সমস্যার কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদামাধ্যমে। ২০১৬ সালের আগস্টে তিনি চাকরিচ্যুত হন।
ফ্লোরিডার ওই হামলায় পাঁচজন নিহত এবং আটজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।আহতদের অবস্থা স্থিতিশীল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুরে বিমানবন্দরের দুই নম্বর টারমিনালে লাগেজ খালাসের এলাকায় হা্মলা চালান এক বন্দুকধারী। এ ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান। আর এক টুইটে আহত আটজনকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা জানিয়েছে ব্রাউড কাউন্টি শেরিফের দপ্তর। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যম জানায়, হামলায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি একাই হামলা চালিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার কারণ জানার চেষ্টা করছেন।
অন্তত ১৩ ব্যক্তির ওপর গুলি চালানো এই সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর নাম ইস্তেবান সান্তিয়াগো। তিনি একজন মার্কিন নাগরিক।
সন্দেহভাজন বন্দুকধারী সান্তিয়াগোর জন্ম নিউ জার্সিতে। দুই বছর বয়সে তিনি পুয়ের্তো রিকোতে স্থানান্তরিত হন।
কোনো সূত্রের উল্লেখ ছাড়াই ওই সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ইস্তেবান সান্তিয়াগো নামে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি। অবশ্য এবিসি নিউজ আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সূত্রগুলো এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি এখনও।
সান্তিয়াগো মানসিক চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সন্দেহভাজন ওই বন্দুকধারীর বড় ভাই জানিয়েছেন, সান্তিয়াগোর প্রেমিকাই তাদের পরিবারকে প্রথমে ওই মানসিক সমস্যার কথা জানান। তবে তিনি কী ধরনের চিকিৎসা নিতেন তা জানা যায়নি।
২০০৭ সাল থেকে তিনি ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য ছিলেন বলে খবরে  জানানো হয়।  পুয়ের্তো রিকো ন্যাশনাল গার্ডের পক্ষে একজন মুখপাত্র জানান, ২০১০ সালে তাকে ইরাকে নিয়োজিত করা হয়। ১৩০ তম ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটলিয়নের সঙ্গে এক বছর কাজ করেছেন তিনি।  আলাস্কার সেনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ২০১৬ সালের আগস্টে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে তাকে পদচ্যুত করা হয়।
সূত্র : সিএনএন, বিবিসি, রয়টার্স, ইন্ডিপেনডেন্ট ও বাংলা ট্রিবিউন

আরও পড়ুন