বেনাপোল বন্দরে গাছ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট: 03:01:56 01/04/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার : বেনাপোল স্থলবন্দরের কয়েক কর্মকর্তা অধিগ্রহণ করা জমিতে থাকা গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্টরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পণ্যজট নিরসন ও পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সীমান্ত-সংলগ্ন বড়আঁচড়া মৌজায় ২৪ দশমিক ৯৬ একর জমি অধিগ্রহণ করে। অধিগ্রহণ করার সময় এসব জমিতে অর্ধ শতাধিক ছোট বড় মেহগনিসহ বিভিন্ন ধরনের বনজ গাছ ছিল। অভিযোগ উঠেছে, বন্দরের পরিচালকের সহযোগিতায় অনিয়মতান্ত্রিক পন্থায় গাছগুলো কেটে বিক্রি করে নিজেদের পকেট ভারি করেছেন।
অভিযোগ, এই কাজের সঙ্গে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক প্রদোষকান্তি দাস, সহকারী পরিচালক আতিকুল ইসলাম, উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিমসহ কয়েক কর্মকর্তা জড়িত। তারা গাছ বিক্রির টাকা বন্দরের কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকরা জানান, জমিতে ছোট বড় প্রায় অর্ধশত গাছ ছিল।
এই বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক প্রদোষকান্তি দাস বলেন, ছোট ছোট ৩-৪টি গাছ কাটা হয়েছে। অন্য গাছগুলো অপসারণের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।
তবে গাছ কাটার বিষয়ে কারো অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে স্বীকার করেন বন্দর পরিচালক।
প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, 'ওই জমিতে ৩-৪টি মেহগনিগাছ ছিল। তা কেটে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে চেয়ারম্যান স্যারের মৌখিক অনুমতি নেওয়া ছিল।'
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন চক্রবর্তী বলেন, ৩-৪টি ছোট ছোট গাছ কাটা হয়েছে। চার লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসতের অভিযোগ সঠিক না।

আরও পড়ুন