ভোমরায় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য হাজার কোটি

আপডেট: 01:37:20 16/09/2019



img

আব্দুস সামাদ, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। জুলাই-জুন পর্যন্ত ১২ মাসে এক হাজার ১৮৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালে ভোমরা স্থলবন্দরের যাত্রা শুরুর পর চলতি অর্থবছর সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ভোমরা কাস্টম্স শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-জুন মাস পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার ১৮৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এরমধ্যে জুলাইয়ে ৭২ কোটি চার লাখ, আগস্টে ৯২ কোটি ৮৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৭ কোটি ৭১ লাখ, অক্টোবরে ৯১ কোটি ৯৫ লাখ, নভেম্বরে ১২০ কোটি ৪৩ লাখ, ডিসেম্বরে ১১৪ কোটি ৫৮ লাখ, জানুয়ারিতে ১৩৩ কোটি ৮০ লাখ, ফেব্রæয়ারিতে ১৫১ কোটি ৮৬ লাখ, মার্চে ১৪২ কোটি ৭৩ লাখ, এপ্রিলে ৯৯ কোটি ৬৩ লাখ, মে মাসে ৫৬ কোটি ৪৯ লাখ এবং জুনে ৪২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ১৫৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বেশি।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বন্দরটিতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল এক হাজার ৩৩ কোটি টাকা। ওই বছর আদায় হয় এক হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের লক্ষ্য সামনে রেখে গেল দুই মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১০১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। ঘাটতি রয়েছে ৬৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
সূত্রটি জানায়, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল ১৬৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সেখানে অর্জিত হয়েছে ১০১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। ফলে ৬৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ঘাটতি পড়েছে।
ভোমরা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়শনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, বন্দরটি শুরুর পর থেকে চলতি অর্থবছর সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখানকার ব্যবসায়ীরা যদি নির্ধারিত সকল পণ্য আমদানির সুযোগ পান, তাহলে ওই লক্ষ্য ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা এই ব্যবসায়ী নেতার।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনে নতুন আসা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার প্রণয় চাকমা বলেন, পণ্য আমদানি-রপ্তানি ভালো হলে আশা করা যায়, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জিত হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, গেল দুই মাসের ঘাটতি কাটিয়ে উঠে যাতে উল্লেখযোগ্য হারে রাজস্ব অর্জন হয়, সে জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। আর এ জন্য বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীর পাশাপাশি ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত সকল কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীর সার্বিক সহযোগিতা দরকার।

আরও পড়ুন