মণিরামপুরে শিবিরের ২৩ নেতাকর্মী আটক

আপডেট: 07:21:37 26/04/2019



img
img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : ইসলামী ছাত্রশিবিরের যশোর জেলা পূর্ব শাখার ‘বাছাইকৃত সাথী শিক্ষাশিবির’ চলাকালে হানা দিয়ে ২৩ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটির হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদরাসা চত্বর থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারটি বোমা, একটি ব্যানার ও সংগঠনের কিছু বই-পুস্তক উদ্ধারের দাবি করেছে।
আটকদের মধ্যে ২২ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন, যশোর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্ব শাখার প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর কলেজের প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, যশোর শহীদ মসিয়ূর রহমান আইন মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র শামীম হোসেন, কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী এলাকার হাবিব হাসান, ভাল্লুকঘরের বিল্লাল হোসেন, মির্জানগরের সিরাজুল ইসলাম, মণিরামপুর উপজেলার ঝাঁপা গ্রামের রাসেল কবির, হানুয়ার গ্রামের এনামুল হক, খালিয়া গ্রামের আবু মুছা, শ্যামকুড় এলাকার আহাদ আলী, নোয়ালী গ্রামের সাজিম হোসেন, নেংগুড়াহাট এলাকার ইয়াছিন আরাফাত, শাহপুর গ্রামের নাজমুস সাকিব, খেদাপাড়া এলাকার গোলাম আযম, গালদা গ্রামের খালিদুর রহমান, পারখাজুরা গ্রামের সাইফুল ইসলাম, রোহিতা গ্রামের মাহফুজ হোসেন, হাজরাকাটি গ্রামের মেহেদী হাসান, বাপ্পি হোসেন, রত্নেশ্বরপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম, ওই গ্রামের ইস্রাফিল হোসেন এবং মদনপুর গ্রামের মাছুম বিল্লাহ।
স্থানীয় হায়াতপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল বলছেন, হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদরাসাটি মূলত স্থানীয় জামায়াত নেতা সহকারী অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীর পরিচালনা করেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কেশবপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিবির নেতাকর্মীরা এসে ওই মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গোপন বৈঠক করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ২৩ জনকে আটক করেছে।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা লিয়াকত হোসেন দাবি করেন, রমজানের পবিত্রতা নিয়ে করণীয় নির্ধারণে প্রতিবছরই ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করে। শুক্রবার সকালে হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদরাসায় আলোচনা সভা চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।
মণিরামপুর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) এসএম এনামুল হক বলেন, চালুয়াহাটির হায়াতপুর-শাহপুর হাফিজিয়া মাদরাসায় শিবিরের বৈঠক চলছে এমন খবরে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ২৩ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে চারটি বোমা, একটি ব্যানার ও সংগঠনের কিছু বইপুস্তক উদ্ধার করা হয়েছে দাবি করে এই কর্মকর্তা বলেন, এই ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন