মণিরামপুর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি হলেন ফারুক

আপডেট: 01:05:34 11/03/2018



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : দীর্ঘ দুই বছর পর যশোরের মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের শূন্য পদসহ তিনটি পদ পূরণ করা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফার ছোট ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক ফারুক হোসেনকে।
শনিবার ঢাকা থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি করা হয়েছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলুকে। আর এক নম্বর সদস্য করা হয়েছে বিআরডিবির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে।
প্রভাষক ফারুক হোসেন মণিরামপুর ইউনিয়ন, পৌর, উপজেলা, জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল পদে থাকার পর ২০০৬ সালের দিকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যপদ লাভ করেন। এরপর তিনি যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হন।
ফারুক হোসেনের বাবা গোলাম মোস্তফা টানা ২২ বছর মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে থাকাবস্থায় ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর দুই বছরেরও বেশি সময় এই পদটি শূন্য ছিল।
নতুন সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘দলের লবিং-গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে থেকে বে নৌকার পক্ষে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করব।’
এদিকে ফারুক হোসেন দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার বিকেলে উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শহরে আনন্দমিছিল বের করেন।
২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকসহ জেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কাউন্সিল অধিবেশনে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির শুধু দুটি পদে দুই নেতার নাম ঘোষণা করা হয়। এরা হলেন, অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান সভাপতি ও গোলাম মোস্তফা সাধারণ সম্পাদক। পরের বছর ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফার। তার মৃত্যুর পর থেকে এক সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে দলটির মণিরামপুর উপজেলা শাখার কার্যক্রম চলে আসছিল। দলের ভেতরে ব্যাপক লবিং-গ্রুপিংয়ের কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজমান ছিল। এরই মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অধিকাংশ নেতা রিকাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বরাবর লিখিত আবেদন করেন।

আরও পড়ুন