মন্ত্রিত্ব মণিরামপুরের মানুষের অবদান : স্বপন

আপডেট: 02:08:57 11/01/2019



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : সদ্য দায়িত্ব পাওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেছেন, ‘আজকে আমি যা কিছু অর্জন করেছি তা এই মণিরামপুরবাসীর জন্য। মণিরামপুরবাসী আমাকে ভোট দিয়ে একবার উপজেলা চেয়ারম্যান ও টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আমার এই মন্ত্রিত্বও মণিরামপুরবাসীর অবদান। মণিরামপুরের মানুষ যে আশা নিয়ে আমাকে ভোট দিয়েছে, তাদের সেই আশা পূরণ করা হবে। এখানকার সকল জনগণকে সুখে, শান্তিতে রাখা আমার দায়িত্ব।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে মণিরামপুরে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ পৌরসভা চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
এরআগে বিকেল চারটায় মণিরামপুরে আসেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর মণিরামপুরে এটিই স্বপন ভট্টাচার্য্যরে প্রথম আসা।
প্রতিমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘মণিরামপুরের মাটিতে কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, বাহুশক্তির অধিকারী ও মাদক-কারবারির স্থান হবে না। যে কোনো মূল্যে এদের দমন করে এখানে শান্তি ফিরিয়ে আনা হবে। দলমতনির্বিশেষে মণিরামপুরের একটি মানুষও যেন কষ্ট না পায় সেই ব্যবস্থা করা হবে। মণিরামপুরবাসী যে সুযোগ হাতে পেয়েছে, সেটা যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় তাহলে বহুদিনের বঞ্চনা দূর করা সম্ভব হবে।’
প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সঠিকভাবে কার্যকর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘মণিরামপুরের সকল গ্রামে পাকা রাস্তা করা হবে, পৌর শহরে বাইপাস সড়কের জন্য ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে। সারা মণিরামপুর আধুনিক আলোয় ভরে দেওয়া হবে।’
এছাড়া রাজগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি রাজগঞ্জকে থানায় পরিণত করে সেই এলাকায় একটি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার এমএম নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।