মহেশপুরে রাস্তার গাছ কেটে সাবাড়

আপডেট: 02:46:15 10/02/2019



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের একটি রাস্তা তৈরির কথা বলে রাস্তার পাশের কয়েকশ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় কাজিরবেড় ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মফিজুর রহমান ও এনামুল হকের নেতৃত্বে এ গাছ কাটা হয়েছে। তবে মফিজুর রহমান ও এনামুল হক দুইজনই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, গ্রামবাসী নিজেরাই গাছ কেটেছে।
স্থানীয়রা জানান, মহেশপুর উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের শালকো বিল-বাঁওড়ের পাশে লিয়নপুর বোষ্টমতলা এলাকায় একটি মাটির রাস্তা আছে। সেই রাস্তার পাশে কয়েকশ বাবলা, ভাটাম, মেহগনি, কড়াই, সেগুনগাছ ছিল। স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিজুর রহমান সেই রাস্তাটি উন্নয়নের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেন এবং রাস্তা হওয়ার আগেই কয়েকশ ছোট-বড় গাছ কাটা শুরু করেন। গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত শতাধিক গাছ কেটে বিক্রি করা হয়। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে গাছ কাটার বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাশ্বতী শীল ইউনিয়ন নায়েবকে পাঠান গাছ কাটা বন্ধ করতে।
ইউপি সদস্য মফিজুর রহমান বলেন, ‘যারা রাস্তা মাপার কাজ করছিল (সার্ভেয়ার), তাদের খরচের জন্য কয়েকটি গাছ কাটা হয়। আর বাকি গাছগুলো স্থানীয় কয়েকজন কেটে আমার নাম ভাঙিয়েছে। এই ঘটনার সাথে আমি জড়িত না।’
তবে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত তিন দিনে শতাধিক বিভিন্ন জাতের গাছ কেটেছে লোকজন।
কাজিরবেড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম রেজা বলেন, সম্প্রতি একটি রাস্তার প্রস্তাব দেন ইউপি সদস্য মফিজুর রহমান। রাস্তার কাজ এখনো শুরু হয়নি। কিন্তু কে বা কারা নাকি রাস্তার কয়েকশ গাছ দিনে দুপুরে কেটে নিয়েছে। রাস্তার জমির গাছ কাটতে গেলে অবশ্যই প্রশাসনকে জানাতে হবে। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাশ্বতী শীল জানান, রোববার সকালে তিনি বিষয়টি জানার পর সঙ্গে সঙ্গে কাজিরবেড় ইউনিয়নের নায়েবকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন