মাদরাসায় ৬০ লক্ষাধিক টাকা নিয়োগবাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট: 07:16:03 17/02/2018



img

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনির মদিনাতুল উলুম বহমুখী ফাজিল মাদরাসায় ৬০ লক্ষাধিক টাকা নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের তীর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওলিউল্লাহ ও এবতেদায়ী শিক্ষক তৈয়বুর রহমানের দিকে।
অভিযোগে বলা হচ্ছে, গত ২০ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এডিসি জেনারেল মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ প্রতিদিন ও দৃষ্টিপাত পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। সে মোতাবেক ছয়টি পদের বিপরীতে ৭০ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে। যার মধ্যে অধ্যক্ষ পদে সাতজন, উপাধ্যক্ষ পদে তিনজন, অফিস সহকারী পদে ২৭ জন, দপ্তরি পদে ১২ জন, মালি পদে ১২ জন এবং নৈশপ্রহরী পদে নয়জন প্রার্থী আবেদন করেন।
মাদরাসা পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য ইউছুপ সরদার অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও এবতেদায়ী শিক্ষক তৈয়বুর রহমানের যোগসাজসে নিয়োগ-বাণিজ্য হচ্ছে। তৈয়বুর রহমানের ভাই আব্দুর রশিদ ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদরাসার উপাধ্যক্ষকে ডিজির প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়েছে। তারা এখন প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের মিশনে নেমেছেন।
এসব বিষয়ে জানতে মাদরাসায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৈয়বুর রহমানকে পাওয়া যায়নি। ৮-১০ দিন ধরে তিনি মাদরাসায় আসেন না বলে জানা যায়।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৭০ জন প্রার্থী আবেদন করলেও এখনও যাচাই বাছাই সম্পন্ন হয়নি। এমনকি নিয়োগ কমিটিও গঠন করা হয়নি। কিন্তু পাঁচটি পদের জন্য অধ্যক্ষ ওলিউল্লাহ ও এবতেদায়ী শিক্ষক তৈয়বুর রহমানের নিকটাত্মীয়, পরিজন ও বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে ৬০ লক্ষাধিক টাকা নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে।
এব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওলিউল্লাহ বলেন, ‘আমি নিজেই অধ্যক্ষ পদে আবেদন করেছি। যেহেতু আমি প্রার্থী সেহেতু আমি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হতে পারবো না। তাই আমার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি বাকী বিল্লাহ বলেন, ‘কে কী বাণিজ্য করছে তা আমার জানা নেই। তবে নিরপেক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করা হবে।’

আরও পড়ুন