মুন্নির ছয় বছর জেল

আপডেট: 08:38:49 12/07/2018



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নিকে ছয় বছর জেল দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রুজু করা একটি মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত (৭) এর বিচারক শহিদুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার এই রায় দেন। মামলাটি ২০০৯ সালে করা হয়েছিল।
মামলার রায়ে দুর্নীতি দমন আইনের দুটি ধারায় পৃথকভাবে তিন বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে মুন্নিকে। তবে এই সাজা একযোগে চলবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে সাবিরা নাজমুল মুন্নি আদালতের রায় বিপক্ষে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন। তবে সুবর্ণভূমিকে তিনি জানান, ঠিক কী রায় হয়েছে, তা এখনো তিনি জানতে পারেননি। অসুস্থতার কারণে আজ তিনি আদালতেও হাজির হতে পারেননি। আইনজীবীর মাধ্যমে মেডিকেল ডকুমেন্ট পাঠিয়েছিলেন।
তিনি বেলা পৌনে একটায় সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘এই মামলায় আমাকে সাজা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমি যে নির্দোষ, তার সমস্ত কাগজপত্র আদালতে সাবমিট করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও রায় আমার বিরুদ্ধে গেছে। আমি মনে করছি, এর পেছনে সরকারের চাপ রয়েছে। আগামী সপ্তাহেই আমি উচ্চ আদালতে যাব।’
আলাপকালে মুন্নি জানান, স্পাইনাল কর্ডের ব্যথায় তিনি কাতর। আদালতে যাওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা নেই।
এদিকে, ঢাকাভিত্তিক একটি অনলাইন নিউজপোর্টালের খবরে বলা হয়েছে, মিথ্যা তথ্য ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে মুন্নিকে উল্লিখিত মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ে আদালত মুন্নির এক কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তও করেছেন।
আদালতে হাজির না হওয়ায় মুন্নিকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ফলে তার বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানানো হয় পোর্টালটির খবরে।

অন্য একটি অনলাইন গণমাধ্যম রায়ের বিবরণ উল্লেখ করে লিখেছে, মুন্নি ২০০৯ সালে দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণে ৭০ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন।  তিনি এক কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করেন।
এই অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক সৈয়দ আহমেদ বাদী হয়ে ২০০৯ সালে ধানমণ্ডি থানায় মুন্নির বিরুদ্ধে মামলা করেন।
২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচারকালে  আটজনের সাক্ষ্য নেয় আদালত।

আরও পড়ুন