যশোরে আঞ্চলিক ইজতেমায় আসছেন মুসল্লিরা

আপডেট: 09:43:52 27/12/2017



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে অনুষ্ঠেয় আঞ্চলিক বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা। আজ বুধবার দিনভর বিভিন্ন যানবাহনযোগে মুসল্লিদের আসতে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার আমবয়ানের মধ্যদিয়ে উপশহরে এই ইজতেমা শুরু হচ্ছে। আমবয়ান পেশ করবেন কাকরাইল মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল বারেক।
ইতিমধ্যে ইজতেমার যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। এই বছর দ্বিতীয়বারের মতো ইজতেমা হচ্ছে যশোরে।
ইজতেমাকে ঘিরে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একজন সিনিয়র অফিসারের নেতৃত্বে পোশাকধারী দেড় হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শপাঁচেক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন ইজতেমা ময়দান ও এর আশপাশে। বিশেষ করে বিদেশি মেহমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা ভূমিকা পালন করবেন।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৪টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।
বুধবার বিকেলে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন সিকদার ব্যবস্থাপনা কমিটি, আগত মুসল্লি ও পুলিশ সদস্যদের ব্রিফ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মোহম্মাদ আনছার উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) নাঈমুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) জুয়েল ইমরান, জামাল আল নাছের (মণিরামপুর সার্কেল), ছয়রুদ্দিন আহম্মেদ (মাগুরা হেড কোয়ার্টার) খুলনা মেট্রোপলিটনে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা প্রমুখ।
ইজতেমা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তিনদিনের এই আয়োজনকে ঘিরে চলতি মাস থেকে মাঠ প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়। মুসল্লিদের জন্য এক হাজারের বেশি ওয়াশরুম, বিশুদ্ধ পানির ট্যাংসহ ২৬টি টিউবয়েল এবং দরকারি ওজুখানা স্থাপন করা হয়েছে।
ইজতেমার অন্যতম জিম্মাদার আনসার আলী জানান, অসুস্থ হয়ে পড়া মুসল্লিদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সের। এছাড়া ইজতেমা এলাকায় মুসল্লিদের বিনামূল্যে ওষুধ ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে পাঁচটি ক্যাম্পে।
উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু বলেন, ‘ইবাদতের জন্য বিপুল সংখ্যক মেহমান উপশহর এলাকায় আসতে শুরু করেছেন। পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মুসল্লিদের খোঁজ-খবর নেওয়াসহ এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন