যশোরে গর্ভবতী গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট: 01:39:25 16/04/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে রেহানা খাতুন নামে পাঁচ মাসের গর্ভবতী এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
স্বজনদের দাবি, তাকে হত্যা করে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
রোববার দিনগত গভির রাতে সদর উপজেলার কচুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
রেহানা খাতুন কচুয়া গ্রামের হিরো হোসেনের স্ত্রী এবং ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দাদপুর গ্রামের দাউদ খাঁর মেয়ে।
খালা মনোয়ারা বেগম ও আলেয়া বেগম সুবর্ণভূমিকে জানান, রেহানার সঙ্গে প্রায় এক যুগ আগে বিয়ে হয় হিরোর। বিয়ের সময় নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল মিলে ৮-১০ লাখ টাকার যৌতুক দেওয়া হয়েছিল। ওই দম্পতির একটি নয় বছরের ছেলেসন্তান আছে।
তারা দাবি করেন, হিরো হোসেন খারাপ চরিত্রের মানুষ। আগেও তার তিনবার বিয়ে হয়েছিল। চতুর্থ স্ত্রীর কাছেও প্রায়ই যৌতুক দাবি করতেন তিনি। দশ হাজার, ২০ হাজার টাকা করে তাকে এই পর্যন্ত অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি হিরো আবার স্ত্রী রেহানার কাছে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গতরাতে রেহানাকে তার স্বামী হিরো শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে দিতে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন।
ওই রাতেই খবর শুনে রেহানার পরিবারের লোকজন তার শ্বশুরবাড়িতে ছুটে যান। তারা পুলিশেও খবর দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মামি মিনা বেগম সুবর্ণভূমিকে জানান, রেহানা বেগম পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্বা। যৌতুকের কারণে স্বামী তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
জানতে চাইলে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মঞ্জুরুল আহসান সুবর্ণভূমিকে বলেন, লাশের শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে এটা হত্যা না হত্যার প্ররোচনায় আত্মহত্যা তা এখনই বলা যাবে না।
হিরো হোসেনকে ‘খারাপ মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তার বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ।

আরও পড়ুন