লোহাগড়ায় প্রবাসী হত্যায় আ. লীগ সম্পাদক আসামি

আপডেট: 12:21:14 30/04/2019



img

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রামে কুয়েত প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মিজানুর রহমান হত্যার ঘটনায় লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুসহ ৪৯ জনের নামে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। গত রোববার রাতে লোহাগড়া থানায় এ মামলা করেন নিহতের ভাবি শাকিলা বেগম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। বাকি আসামিরা ওই গ্রামসহ পাশের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। এর মধ্যে নোয়াগ্রামের সৈয়দ হুমায়ুন কবির ও শামুকখোলা গ্রামের কাজী কালাম হোসেনকে মামলা রেকর্ডের আগেই গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়েছেন ইনসপেক্টর (তদন্ত) আমান উল্লাহ আল-বারী।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন প্রবাসী সৈয়দ মিজানুর রহমান। তিনি প্রায় ১২ বছর পর একমাস আগে নিজ গ্রামে আসেন। নোয়াগ্রাম ইউপি সদস্য শেখ বুলবুল আহম্মদ জানিয়েছেন, মিজান কুয়েত শাখা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
সূত্র বলেছে, গত ২৪ মার্চ লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই ওই গ্রামে বিবদমান দুটি পক্ষ রয়েছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফয়জুল হক রোম। নিহত সৈয়দ মিজানুর রহমান ছিলেন ফয়জুল হক রোম পক্ষের লোক। রোম নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিকদার আবদুল হান্নান রুনুর পক্ষে। গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শিকদার আবদুল হান্নান রুনুর কাছে সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু পরাজিত হন।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রবীরকুমার বিশ্বাস বলেন, হত্যায় জড়িত সন্দেহে এজাহারভুক্ত দুজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরার চেষ্টা চলছে।
গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে জানায় স্থানীয় সূত্রগুলো।

আরও পড়ুন