লোহাগড়ায় সংঘর্ষ ভাংচুর গুলি

আপডেট: 01:54:02 11/02/2018



img

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি : লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের আমাদা-হামারোল গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।
এসময় সাতটি বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় কমবেশি সাতজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ১৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে পুলিশ। বর্তমানে ওই গ্রামে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষ বেঁধে যেতে পারে বলে গ্রামবাসীর আশংকা।
পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, আমাদা-হামারোল গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামের কাসেম খান সমর্থিত লোকজনদের সঙ্গে একই গ্রামের আলী আহম্মদ খান সমর্থিতদের মধ্যে দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে দ্ব›দ্ব-সংঘাত চলে আসছে। এর জের ধরে শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিবদমান দুই পক্ষ রামদা, ঢাল-সড়কি, লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় আলী আহম্মদ খান সমর্থিত ইস্রাফিল মল্লিক, আলী আহম্মদ  খান, ইকবাল কাজী, হাফিজ কাজী, ওহিদার খান, আওয়াল মল্লিক ও আমিন খানের বাড়ি ভাংচুর করে কাসেম খান সমর্থিত লোকজন। সংঘর্ষ চলাকালে কাসেম খান সমর্থিত ইয়ামিন মোল্যা, মাসুদ মোল্যা, সজীব মোল্যা, ইউপি মেম্বর বাবুল খান, রায়হান শেখ, খাজা শেখ, জুবরাজ শেখ, আনিচ খান আহত হয়।
খবর পেয়ে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ১৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। বর্তমানে ওই গ্রামে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষ বেঁধে যেতে পারে।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

আরও পড়ুন