শার্শায় ৪১ জনের নামে ‘গায়েবি মামলা’

আপডেট: 06:45:00 02/12/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের শার্শা থানা পুলিশ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি নাশকতার মামলা করেছে; যাকে ‘গায়েবি মামলা’ বলছে বিএনপি।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সাতটি বোমা, রেললাইনের পাথর ও লাঠি উদ্ধারের দাবি করেছে। আর আটক করা হয়েছে বিএনপির নয় নেতাকর্মীকে।
আটককৃত নয়জন ও ‘পলাতক’ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে শনিবার রাতে এই সংক্রান্ত মামলাটি রুজু করা হয়।
আটক বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন, শার্শা উপজেলার শুড়া গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে আব্দুস সালাম, গোড়পাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন, রামচন্দ্রপুর গ্রামের চেরাগ আলীর ছেলে ইব্রাহিম, নাভারন রেলবাজারের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম, বেনেখড়ি গ্রামের আবু হোসেনের ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন, টেংরা গ্রামের ইরফান সরদারের ছেলে আব্দুল লতিফ, রাঢ়িপুকুর গ্রামের আজগার আলী গাজীর ছেলে শামসুর রহমান, বাগআঁচড়া গ্রামের বাহার আলীর ছেলে হাসানুজ্জামান ও বসতপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আবুল হোসেন। রোববার দুপুরের দিকে এদের যশোর আদালতে পাঠানো হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমানের ভাষ্য, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরা নাশকতার উদ্দেশে টেংরা গ্রামের সমাবেত হচ্ছে বলে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে নয়জনকে আটক করা হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়। আটককৃতদের নামে মামলা দায়ের করে যশোর কোর্ট হেফাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’
তবে আটক সালামের ভাই লাল্টু বলেন, ‘আমার ভাই গোড়পাড়া বাজারের মুদি ব্যবসায়ী। দোকানদারি করার সময় গোড়পাড়া ফাঁড়ির এএসআই আনসার আলী তাকে দোকানের ভেতর থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে শুনি তার নামে নাশকতার মামলা করেছে পুলিশ।’
নাসির উদ্দিনের বাবা জালাল উদ্দিন বলেন, ‘সন্ধ্যার সময় আমার ছেলে গোড়পাড়া বাজারে চায়ের দোকানে বসে ছিল। সেখান থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তার নামে নাশকতার মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায়।’

আরও পড়ুন