শিক্ষিত স্কোয়াশ চাষি চুয়াডাঙ্গার নাজমুল

আপডেট: 02:21:59 20/03/2018



img
img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : কৃষির ওপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে চাকরির আশায় বসে থাকেননি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের সহিদুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হুসাইন (২৭)। গ্রামেই দুই বিঘা জমি ইজারা নেন। সেখানেই শুরু করেন চাষাবাদ।
নাজমুল চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিএসএজি পাশ করেন ২০১৭ সালে। এর পরপরই শুরু করেন কৃষিকাজ।
চাষি নাজমুল হুসাইন জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সহযোগিতায় সৌদি আরবের ফসল স্কোয়াশ চাষে উদ্বুদ্ধ হন তিনি। স্কোয়াশ ওই দেশে সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। তিনি দুই বিঘা জমিতে এক কেজি বীজ রোপণ করেন। সুপ্রিম বীজ কোম্পানির এক কেজি স্কোয়াশ বীজ কিনতে খরচ হয় ১২ হাজার টাকা। বীজ রোপণের ৭৫ দিন পর সেখানে পাঁচ হাজার স্কোয়াশ গাছ হয়।
তিনি জানান, স্কোয়াশ চাষ করতে গিয়ে দুই বিঘা জমিতে তার ব্যয় হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। স্কোয়াশ দেশের মিষ্টি কুমড়া, লাউ ও শসার কাছাকাছি স্বাদের। তিনি প্রতি কেজি স্কোয়াশ সর্বাধিক ৩৫ টাকা কেজি এবং সর্বনিম্ন ২০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। জমির ২৫টি গাছে আট কেজি করে স্কোয়াশ উৎপাদন হয়।
তিনি আরো জানান, চাষাবাদের খরচ বাদে দুই বিঘা জমিতে তার চার লাখ টাকা লাভ হয়েছে।
তিনি বলেন, জমি থেকে স্কোয়াশ ওঠানোর পর সেগুলো বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় সড়কে যানজটের কারণে স্কোয়াশ পচে যায়। বাজারও বিভিন্ন সময় ওঠানামা করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তালহা জুবাইর মাসরুর বলেন, ‘বেলে দো-আঁশ উঁচু জমিতে চাষের উপযোগী স্কোয়াশ। এই সবজি চাষের ব্যাপারে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।’