শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা

আপডেট: 03:32:50 07/01/2019



img

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ধর্ষণের পর তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে পানিতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার রাতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।
নিহত সুস্মিতা আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামের প্রশান্ত দাসের মেয়ে ও গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
গ্রেফতার অভিযুক্ত ধর্ষকের নাম জয়দেব সরকার। সে আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামের নির্মল সরকারের ছেলে ও বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
গাবতলা গ্রামের প্রশান্ত দাস জানান, তার মেয়ে সুস্মিতা প্রতিবেশী নির্মল সরকারের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অম্বিকা সরকারের কাছে প্রতিদিন বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যেত। রোববার বিকেলে অম্বিকা বাড়িতে না থাকায় তার ভাই জয়দেব সরকার সুস্মিতাকে পড়িয়ে বাড়িতে ব্যাগ রেখে আবারো ডেকে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় তাকে গাবতলার সত্যরঞ্জন দাসের দোকান থেকে খাবার কিনে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সুস্মিতাকে ধর্ষণ করে জয়দেব। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সুস্মিতা মারা গেছে ভেবে তাকে বাড়ির পুকুরে ফেলে দেয়। পরে গ্রামবাসী পুকুরে জাল ফেলতে উদ্যত হলে জয়দেব সেখান থেকে লাশ তুলে নিজের বাথরুমে এনে রাখে। রাত ১১টার দিকে পুলিশ সেখান থেকে মেয়ের লাশ উদ্ধার করে। গ্রেফতার করে জয়দেব সরকারকে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লবকুমার নাথ জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার জয়দেব সরকার ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করায় তাকে আদালতে পাঠিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন