শৈলকুপায় সংঘর্ষে আহত ১২, বাড়ি গাড়ি ভাংচুর

আপডেট: 05:56:23 13/02/2018



img

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দুই পক্ষের ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের ব্রাহিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ভাংচুর করা হয়েছে সাতটি বাড়ি ও একটি মাহেন্দ্র গাড়ি।
গ্রামবাসী বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে উমেদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাবদার হোসেন মোল্যা ও পরাজিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবলুর সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে মঙ্গলবার সকালে ব্রাহিমপুর গ্রামে উভয় পক্ষের সমর্থকরা ঢাল-সড়কি, রামদা, চাইনজি কুড়াল, চাপাতি, লাঠি-সোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় আহত হয় ব্রাহিমপুর গ্রামের আবু বক্কর, মন্নু, টিটু, নায়েব, লুলু, শাহিনুর, জামিরুল, মনিরুল ইসলাম বুলুসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মিজানুর রহমান বাবলু অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জহুর মৃধার ভাই তার সমর্থক ধীরেন মৃধাকে সোমবার সন্ধ্যায় গাড়াগঞ্জ বাজারে মারধর করে সাবদার হোসেন মোল্যার সমর্থকরা।
এদিকে পাল্টা অভিযোগ করে সাবদার হোসেন মোল্যার ছেলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্যা বলেন, ‘আমাদের সমর্থকরা ভোরে ঘুমিয়ে ছিল। এসময় মিজানুর রহমান বাবলুর সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ও গাড়ি ভাংচুর করে।’
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে তিনজনকে। উদ্ধার করা হয়েছে দেশি অস্ত্র, জানান ওসি।

আরও পড়ুন