সরকারি গাছে ‘ইউএনওর বাসার ফার্নিচার’ হবে!

আপডেট: 07:50:34 15/05/2018



img

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঝড়ে ভেঙে পড়া একটি বড় গাছ অবৈধভাবে করাত কলে নিয়ে চেরাই করার সময় এলাকাবাসী তা আটক করেছে।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন জানার পর গাছের ওই অংশটি জব্দ করে উপজেলা চত্বরে ফেরত আনে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাম্প্রতিক ঝড়ে মাগুরা সদর উপজেলা চত্বরের শত বছরের পুরনো একটি কড়াই গাছ ভেঙে পড়ে। পড়ে যাওয়া গাছটি পরে উপজেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় কেটে চার ভাগ করে অফিস চত্বরে রেখে দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত ছিল, যথাযথ দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলো বিক্রি কিংবা যথাযথ কাজে লাগানো হবে। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের এমএলএসএস রফিকুল ইসলাম এগুলো দিয়ে ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসার আসবাব বানানোর’ কথা বলে মাগুরা শহরের তেঁতুলতলার একটি করাতকলে নিয়ে যেতে থাকেন। সেখানে কাটা গাছের  খণ্ডিত অংশগুলো ভ্যানযোগে পৌঁছলে স্থানীয় জনগণ সন্দেহবশত তা আটক  করে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। এ সময় মাগুরা জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমানের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌসুমি জেরিন কান্তা সেখানে উপস্থিত হয়ে তা জব্দ করে উপজেলা চত্বরে ফেরত আনেন।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান রুস্তম আলীর এমএলএসএস রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার একান্ত সহকারী খবির হোসেনের নির্দেশক্রমে আমি গাছের অংশগুলো করাতকলে নিয়ে গিয়েছিলাম। এগুলো দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসার ফার্নিচার বানানো হবে বলে খবির হোসেন আমাকে জানিয়েছিলেন।’
তবে, খবির হোসেন এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘অসুস্থ হয়ে পড়ায় বর্তমানে আমি বাড়িতে অবস্থান করছি।’
মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান এই বিষয়ে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমি বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী দায়িত্বে রয়েছি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’