সাংবাদিকদের ওপর হামলা পরিকল্পিত : মঞ্জু

আপডেট: 03:59:40 08/08/2018



img

খুলনা অফিস : কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দ্বারা সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনার সাংবাদিক নেতারা। একইসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের উপর আরোপিত সেন্সরশিপ তুলে নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
নেতারা অবিলম্বে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
বুধবার খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার (এমইউজে) উদ্যোগে ‘সাংবাদিকদের উপর হামলা ও গণমাধ্যমের উপর বিধিনিষেধ আরোপের’ প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে তারা এসব কথা বলেন।
এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হিমালয়ের পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
এতে সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক নির্বাহী সদস্য এহতেশামুল হক শাওন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের সাবেক নির্বাহী সদস্য ও খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি শেখ দিদারুল আলম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এরশাদ আলী, এমইউজে খুলনার সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক আজীজী ও রাশিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আলাউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা, সাবেক নির্বাহী সদস্য হারুন অর রশীদ, রূপসা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, কলামিস্ট, গবেষক, কবি এম হেফজুর রহমান, কামরুল হোসেন মনি, আবুল হাসান শেখ, এম এ জলিল, সংস্কৃতিকর্মী এস এ মুকুল, জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু, মানবাধিকারকর্মী জিএম রাসেল ইসলাম, এইচএম শওকত হোসেন হাওলাদার প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত কয়েকদিনে ২৫-৩০ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আন্দোলনের সঠিক সংবাদ যেন সাংবাদিকরা না দিতে পারেন, এজন্য পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করে ক্যামেরা ও মোবাইল ভাংচুর করা হয়েছে। সাংবাদিকরা কাউকে ক্ষমতা থেকে নামায় না, আবার কাউকে ক্ষমতায় বসায় না। তাহলে কেনো তাদের ওপর হামলা করা হলো?

আরও পড়ুন