সাঙ্গ হলো লালন স্মরণোৎসব

আপডেট: 01:24:11 23/03/2019



img

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : দোল পূর্ণিমায় কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে চলা ঐতিহাসিক লালন স্মরণোৎসব শেষ হয়েছে।
শুক্রবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশাল এই উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। এ উপলক্ষে লালন একাডেমির মূল মঞ্চে রাতের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি মো. আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজকুমার নাথ।
প্রধান আলোচক ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা।
আলোচনা শেষে মূল মঞ্চে একাডেমির শিল্পীরা লালন ফকিরের আধ্যাত্মিক গান পরিবেশন করেন।
উৎসব শেষ হওয়ায় অধিকাংশ সাধু-গুরু শুক্রবারই ফিরে গেছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
বাউলদের খাঁটি করে গড়ে তুলতে লালন সাঁই তার জীবদ্দশায় ছেঁউড়িয়ার এই আখড়াবাড়িতে প্রতি বছর চৈত্রের দোলপূর্ণিমা রাতে বাউলদের নিয়ে সাধুসঙ্গ করতেন। ১২৯৭ বঙ্গাব্দের পহেলা কার্তিক তার মৃত্যুর পরও এ উৎসব চালিয়ে আসছেন অনুসারীরা।
‘মনের গরল যাবে যখন, সুধাময় সব দেখবি তখন’- ফকির লালন সাঁইয়ের এই আধ্যাত্মিক বাণী সামনে রেখে এবার ২০ মার্চ এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। আখড়াবাড়ি চত্বরে কালী নদীর তীরে বসেছিল লালনমেলা। আধ্যাত্মিক গুরু ফকির লালনকে স্মরণ ও নিজেকে শুদ্ধ করতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার অনুসারী, ভক্ত, অনুরাগী আর দর্শনার্থী আখড়াবাড়িতে এসেছিলেন।