সাতক্ষীরায় দশ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

আপডেট: 07:41:39 03/05/2019



img

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে সাতক্ষীরায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। প্রচণ্ড গরম ও গুমোট ভাব লক্ষ্য করা গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবচেয়ে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। কয়েকস্থানে বেড়ি বাঁধ উপচে পানি উঠতে শুরু করেছে। শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুর এবং আশাশুনির প্রতাপনগর ও আনুলিয়া ইউনিয়নে বেড়িবাঁধগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সেখানে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের গতিবেগও বেড়ে যাচ্ছে।
এদিকে জেলার ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনির দশ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে এসেছেন। ১৩৭টি সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, মিলনায়তন খুলে রাখা হয়েছে। আশ্রয়গ্রহণকারীদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, মোট ১১৬টি মেডিকেল টিম এখন মাঠে রয়েছে। সিপিপির চার হাজার স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের কর্মী বাহিনী, যুব কেন্দ্রের সদস্যরা কাজ করছেন। পৃথকভাবে পুলিশও মাঠে রয়েছে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কীভাবে সবচেয়ে ক্ষতি কম রাখা যায়, সে বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। ফায়ার ব্রিগেড, কোস্টগার্ড, আনসার সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন। জেলার সব উপজেলায় একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় তার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেসব্রিফিং করে এসব তথ্য দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে কম যাতে হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি। সকল এলাকায় লাল পতাকা তুলে মাইকিং করে জনগণকে সতর্ক করার কাজ চলছে।’
প্রেস ব্রিফিংকালে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান এবং সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম।