সাবু-মারুফকে উঠিয়ে নিল সাদা পোশাকধারীরা

আপডেট: 01:47:32 15/06/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও নগর সভাপতি মারুফুল ইসলামকে ‘পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে’ বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এই দুই নেতাকে আটকের কথা স্বীকার করেনি পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী জেলা যুবদল সভাপতি তমাল আহমেদ সুবর্ণভূমিকে বলেন, আজ বিকেলে শহরের মুজিব সড়কে জিলা স্কুলের প্রধান গেটের কাছে ঈদ উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করতে গিয়েছিলেন বিএনপি নেতা সাবু ও যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম। সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয়  (এমএম কলেজ) ছাত্রদল প্রতিবছরের মতো এবারো এই কর্মসূচি আয়োজন করে। বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে সেখানে সাদা পোশাকে একদল লোক একটি কার ও ৪-৫টি মোটরসাইকেলে চেপে হাজির হয়। তারা সাবু ও মারুফকে কারটিতে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়।
তবে বিএনপি নেতা সাবু-মারুফকে আটকের কথা স্বীকার করেনি পুলিশ।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আবুল বাশার গণমাধ্যমকর্মীদের জিজ্ঞাসার জবাবে বলেন, ‘ওই দুই নেতাকে আটকের বিষয়টি আমার নলেজে নেই।’
একই ধরনের বক্তব্য দেন ডিবি ওসি মনিরুজ্জামান।
তবে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তি, যারা সাবু-মারুফকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে, পুলিশের লোক বলে মোটামুটি নিশ্চিত বিএনপি নেতাকর্মীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলছেন, সম্ভবত হাসান দারোগার নেতৃত্বে অভিযানটি চালানো হয়। সেখানে উপস্থিতদের কেউ কেউ দুই নেতাকে তুলে নেওয়ার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দিও করেন; যা পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সরবরাহ করা হয়। এর এক কপি সুবর্ণভূমিও পেয়েছে।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন ও নগর সাধারণ সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু বলছেন, তারা জানতে পেরেছেন, পুলিশই নিয়ে গেছে সাবু-মারুফকে। বিএনপি নেতারা বিভিন্ন মাধ্যমে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন জানিয়ে বলেন, সাবেরুল হক ও মারুফুল ইসলাম তাদের নামে থাকা ‘রাজনৈতিক মামলাগুলোতে’ জামিন আছেন। ঈদের আগ মুহূর্তে এমন একটি ‘নিরীহ কর্মসূচি’ থেকে নেতাদের ধরে নিয়ে যাওয়া খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন বিএনপি নেতারা।

আরও পড়ুন