সারে জালিয়াতি, কারখানাকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট: 07:15:36 06/09/2017



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি সার কাখানায় দেড় লাখ টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেছেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে বুধবার দুপুরে শহরতলির ঘুরুলিয়ায় ‘এআর এগ্রো কেমিকেল’ নামে সার করাখানাটিতে অভিযান চালানো হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘‘সার করাখানাটি দস্তা সারের প্যাকেটে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করছে। যেমন আমেরিকান সুপার জিঙ্কের আদলে নিজেদের কারখানায় সার তৈরি করে ‘গণচীনের তৈরি’ লিখে বাজারজাত করা হচ্ছে। সারের প্যকেটে উৎপাদানের তারিখ উল্লেখ করা হচ্ছে না। মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও বেশি দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দস্তা সারের প্যাকেটে ট্রেডমার্ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেই। নেই কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের ছাড়পত্র, সারের মান পরীক্ষার জন্য কোনো ল্যাব ও কেমিস্টও। সার উৎপাদন করে বাজারজাত করার আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নিয়মিত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।’
‘কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে কারখানাটি বন্ধ হয়ে থাকার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি রাতের আঁধারে চালু রেখে দস্তা সার তৈরি করা হচ্ছে।’
এ সব অপরাধে আদালত কারখানাটির মালিক কর্তৃপক্ষকে ২০০৬ সালের সার ব্যবস্থপনা আইনের ১৬ ধারায় দেড় লাখ টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।
আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের কর্মকর্তা গৌতমকুমার শীল, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ ও পুলিশ সদস্যরা।

আরও পড়ুন