সালিসে পাওয়া কাবিনের লাখ টাকা হাপিস!

আপডেট: 10:53:56 20/05/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার : তালাকের পরে সালিসে পাওয়া দেনমোহরের ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হাপিস করার অভিযোগ উঠেছে সিদ্দিকুর রহমান নামে একজন সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
আর এ অভিযোগ উত্থাপন করেছেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার ডাকবাংলোপাড়ার উম্মে তাওহীদা আমিন নামে একজন কলেজছাত্রী।
আজ সোমবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উম্মে তাওহীদা আমিন বলেন, ২০১৩ সালের ১৫ মার্চ যশোর সদরের পুলেরহাট-তেঘরি এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সেসময় তিনি দশম শ্রেণিতে পড়তেন। বিয়ের পর স্বামী প্রবাসী হন। বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর তাদের দাম্পত্য জীবন সুখকর ছিল না। একারণে চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের প্রতিবেশী এবং সাবেক কাউন্সিলর সিদ্দিকুর রহমান একটি মীমাংসা বৈঠকে আমাদের কাছ থেকে সই করিয়ে নেন এবং ছেলেপক্ষের কাছ থেকে কাবিন বাবদ নগদ ১লাখ ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু আজঅবধি সেই টাকা আমাকে দেননি।
তিনি বলেন, সিদ্দিকুর খুব ধুরন্ধর টাইপের লোক। তিনি টাকা পয়সা নিয়ে প্রথমে দিকে ঘোরালেও এখন বিষয়টি অস্বীকার করছেন।
তিনি তার কাবিনের ন্যায্য টাকার পাওয়ার জন্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ওইমেয়ে খুব খারাপ প্রকৃতির। সে বিভিন্ন স্থানে আমার নামে এমন বদনাম করছে। আমি এতো গরিব নই যে, ওই সামান্য টাকা নিয়ে খরচ করবো।
কাবিনের ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি পরোক্ষভাবে স্বীকার করেন এবং বলেন, মীমাংসা বৈঠকে থাকা ছেলেরা তা নিয়ে খরচ করে ফেলেছে।
আত্মপক্ষ সমর্থন করার লক্ষ্যে তিনি বলেন, মীমাংসা বৈঠকে মেয়েপক্ষ কেবল তালাকই চেয়েছিল; কোনও টাকা পয়সা চায়নি। এ ব্যাপারে ঈদের পরে আরেকবার বসার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন