সুন্দরবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পর্যটকদের

আপডেট: 06:58:01 10/10/2018



img

মো. শহিদুল ইসলাম, বাগেরহাট : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ ধেয়ে আসায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে। মোংলা সমুদ্রবন্দর চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাচ্ছে।
সতর্কতার কারণে মোংলা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আগমন ও নিগর্মন বন্ধ রাখা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বাগেরহাটসহ মোংলা বন্দর ও আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি শুরু হযেছে। জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে আছড়ে পড়ছে বিশাল বিশাল ঢেউ। সুন্দরবনে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে বনবিভাগ। বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাটের সব উপজেলাসহ উপক’লীয় শরণখোলা, মোংলা, মোরেলগঞ্জ ও রামপালের স্থানীয় প্রশাসন বুধবার বিকেলে জরুরি বৈঠক করে সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার মো. দুরুল হুদা জানান, চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত জারির পর বুধবার দুপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরে ঘোষণা করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট-২। বন্দরে বিদেশি জাহাজ আগমন ও নিগর্মন বন্ধ রাখা হয়েছে। জাহাজগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে বন্দর জেটিতে অবস্থানরত সকল বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য বোঝাই-খালাস কাজ দ্রুত শেষ করা হচ্ছে।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সর্তকতা হিসেবে সুন্দরবনের সকল পর্যটকদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে। বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। বন বিভাগের সকল নৌযান নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন